ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

রংপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাড়ি বন্টনে অনিয়ম

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪
  • ৪২২ বার পড়া হয়েছে

মামুন রংপুর-

স্থানীয় ও সরেজমিন সূত্র জানা যায়। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলাধীন ৭ নং মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ভাঙ্গাগড়া বাজারে মর্নেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রস্তুতকৃত বাড়ি বন্টনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

মর্ণেয়া আশ্রয়নের সভাপতি মোনায়েম আলী সাংবাদিকদের বলেন – আমরা ভূমিহীন ১৪০ টি প্রতিবার গত ২২ বছর ধরে এই আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাস করে আসছি । আমাদের বাড়ি-ঘরের টিনের চাল নষ্ট হয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরায় বিষয়টি গঙ্গাচড়া উপজেলা ইউ এন ও মহোদয় কে অবগত করি । বিষয়টি তিনি আমলে নিয়ে আমাদেরকে নতুন ঘর দেয়ার আশ্বাস দেন।

তারপর আমারের পুরাতন ঘর গুলো ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ঘর নির্মাণ শুরু করেন। সেইসাথে আরো ৭০ টি ঘর নতুন করে যোগ করেন। তিনি আমাদেরকে কথা দিয়েছিলেন ১৪০ টি ঘরের সাথে বর্ধিত আরো ৭০ টি ঘর আমাদের সন্তান ও আশেপাশের ভূমিহীন লোকদেরকে উপহার দিবেন। কিন্তু ৭০ টি ঘর হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত হলে তা আমাদেরকে বিতরণ না করে বহিরাগত লোকদেরকে দিচ্ছেন।

এমতাবস্থায় আমরা খুবি দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি ,কারো ঘরের চাল নাই, কারো ঘরের বেরা নাই ,কারো বা টয়লেট নাই এমনকি রান্নাবান্না করার জন্য ভালো ব্যবস্থা নাই।  এছাড়াও আশ্রয়নের একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন সামনে ঝরবাতাসের দিন আসতেছে, আমাদের এখানে পঙ্গু লোক আছে, গর্ভবতী লোক আছে, অন্ধ লোক আছে, যাদের পুরাতন ঘরগুলো ভেঙ্গে দেয়ার কারণে বসবাসে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই তিনি আমাদেরকে ২০০১ সালে ঘর গুলো দিয়েছিলেন, সেই ঘরগুলো ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ঘর তৈরি করা হলো কিন্তু সেই ঘরগুলো আমাদেরকে না দিয়ে বহিরাগত লোকদেরকে দিচ্ছেন। আমরা এখন খুবি সমস্যায় আছি, আমরা দ্রুত আমাদের ঘরগুলো ফেরত চাই ; আর তা নাহলে আমারা কঠোর আন্দোলন করব আমরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেব। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ তামান্না সাংবাদিকদের বলেন- আমরা সকলকে ঘর দেয়ার আশ্বাস দিয়েছি, পূর্বের যারা সদস্য ছিল সবাই ঘর পাবে। ইতোমধ্যে মর্ণেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ১৪০ জন সদস্যের মধ্যে অনেকেই চলে গেছেন। বাকি যারা আছেন সকলেই ঘর পাবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রংপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাড়ি বন্টনে অনিয়ম

আপডেট সময় ১০:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪

মামুন রংপুর-

স্থানীয় ও সরেজমিন সূত্র জানা যায়। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলাধীন ৭ নং মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ভাঙ্গাগড়া বাজারে মর্নেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রস্তুতকৃত বাড়ি বন্টনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

মর্ণেয়া আশ্রয়নের সভাপতি মোনায়েম আলী সাংবাদিকদের বলেন – আমরা ভূমিহীন ১৪০ টি প্রতিবার গত ২২ বছর ধরে এই আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাস করে আসছি । আমাদের বাড়ি-ঘরের টিনের চাল নষ্ট হয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরায় বিষয়টি গঙ্গাচড়া উপজেলা ইউ এন ও মহোদয় কে অবগত করি । বিষয়টি তিনি আমলে নিয়ে আমাদেরকে নতুন ঘর দেয়ার আশ্বাস দেন।

তারপর আমারের পুরাতন ঘর গুলো ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ঘর নির্মাণ শুরু করেন। সেইসাথে আরো ৭০ টি ঘর নতুন করে যোগ করেন। তিনি আমাদেরকে কথা দিয়েছিলেন ১৪০ টি ঘরের সাথে বর্ধিত আরো ৭০ টি ঘর আমাদের সন্তান ও আশেপাশের ভূমিহীন লোকদেরকে উপহার দিবেন। কিন্তু ৭০ টি ঘর হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত হলে তা আমাদেরকে বিতরণ না করে বহিরাগত লোকদেরকে দিচ্ছেন।

এমতাবস্থায় আমরা খুবি দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি ,কারো ঘরের চাল নাই, কারো ঘরের বেরা নাই ,কারো বা টয়লেট নাই এমনকি রান্নাবান্না করার জন্য ভালো ব্যবস্থা নাই।  এছাড়াও আশ্রয়নের একাধিক সদস্য অভিযোগ করেন সামনে ঝরবাতাসের দিন আসতেছে, আমাদের এখানে পঙ্গু লোক আছে, গর্ভবতী লোক আছে, অন্ধ লোক আছে, যাদের পুরাতন ঘরগুলো ভেঙ্গে দেয়ার কারণে বসবাসে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই তিনি আমাদেরকে ২০০১ সালে ঘর গুলো দিয়েছিলেন, সেই ঘরগুলো ভেঙ্গে দিয়ে নতুন ঘর তৈরি করা হলো কিন্তু সেই ঘরগুলো আমাদেরকে না দিয়ে বহিরাগত লোকদেরকে দিচ্ছেন। আমরা এখন খুবি সমস্যায় আছি, আমরা দ্রুত আমাদের ঘরগুলো ফেরত চাই ; আর তা নাহলে আমারা কঠোর আন্দোলন করব আমরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেব। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ তামান্না সাংবাদিকদের বলেন- আমরা সকলকে ঘর দেয়ার আশ্বাস দিয়েছি, পূর্বের যারা সদস্য ছিল সবাই ঘর পাবে। ইতোমধ্যে মর্ণেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ১৪০ জন সদস্যের মধ্যে অনেকেই চলে গেছেন। বাকি যারা আছেন সকলেই ঘর পাবেন।