ময়মনসিংহ , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় মাদকের ছোবলে নষ্ট হচ্ছে পুরো সমাজ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২ বললেন সালাউদ্দিন আম্মার ৬৫ বছরের আইনি লড়াই শেষে পৈতৃক বন্ধকি জমি ফিরে পেল পরিবার বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গৌরীপুর উপজেলা শাখায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ১৩ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ নেত্রকোণায় পাচারকালে সরকারি চাল জব্দ,আটক ২ পূর্বধলায় মাদকসহ কারবারি গ্রেপ্তার,৩ খালিয়াজুরীতে বরফভর্তি বোতলের আঘাতে অচেতন স্কুলছাত্র: শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ময়মনসিংহে মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান বিএমডিএ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনকে সংবর্ধনা চাটমোহরে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সরবরাহ কম ও চাঁদাবাজির কারণে ইলিশের দাম বেশি বললেন মৎস্য উপদেষ্টা

সরকারি হিসাবে ভরা মৌসুমে উৎপাদন কিছুটা বাড়লেও বাজারে ইলিশের দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে সরবরাহের ঘাটতির পাশাপাশি চাঁদাবাজিকেও দায়ী করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। সোমবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

দাম বেশির কারণ জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, সরবরাহ কম এটা প্রধান কারণ। আর চাঁদাবাজিও আছে যেটা এখনও বন্ধ করা যায়নি।

লিখিত বক্তব্যে ফরিদা আখতার জানান, ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। এ বছর জাটকা রক্ষা সপ্তাহসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ইলিশ সংরক্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। ১২ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ৪৬ হাজার ৭৯০ মেট্রিক টন ইলিশ আহরিত হয়েছে।

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মডেল অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন ৫ লাখ ৩৮ হাজার থেকে ৫ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন পর্যন্ত হতে পারে। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মতো উৎপাদন হ্রাসের প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাস্তবে উৎপাদন আরও কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, ইলিশের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নেই। ঢাকায় ১ কেজির কম ওজনের ইলিশ ২০০০ টাকার বেশি। বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে বলে আমরা আশা করছি। ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকেও ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বরিশাল ও চট্টগ্রামে তুলনামূলকভাবে ইলিশের দাম কম।

প্রবাসীদের জন্য ইলিশ রপ্তানির পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, দেশে বসবাসরত মানুষের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পরীক্ষামূলকভাবে এক বা দুইটি দেশে ইলিশ রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রপ্তানির জন্য সেসব দেশ বাছাই করা হচ্ছে যেখানে বাংলাদেশি প্রবাসীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় মাদকের ছোবলে নষ্ট হচ্ছে পুরো সমাজ

সরবরাহ কম ও চাঁদাবাজির কারণে ইলিশের দাম বেশি বললেন মৎস্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:১৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

সরকারি হিসাবে ভরা মৌসুমে উৎপাদন কিছুটা বাড়লেও বাজারে ইলিশের দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে সরবরাহের ঘাটতির পাশাপাশি চাঁদাবাজিকেও দায়ী করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। সোমবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

দাম বেশির কারণ জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, সরবরাহ কম এটা প্রধান কারণ। আর চাঁদাবাজিও আছে যেটা এখনও বন্ধ করা যায়নি।

লিখিত বক্তব্যে ফরিদা আখতার জানান, ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। এ বছর জাটকা রক্ষা সপ্তাহসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ইলিশ সংরক্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। ১২ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ৪৬ হাজার ৭৯০ মেট্রিক টন ইলিশ আহরিত হয়েছে।

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মডেল অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন ৫ লাখ ৩৮ হাজার থেকে ৫ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন পর্যন্ত হতে পারে। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মতো উৎপাদন হ্রাসের প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাস্তবে উৎপাদন আরও কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, ইলিশের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নেই। ঢাকায় ১ কেজির কম ওজনের ইলিশ ২০০০ টাকার বেশি। বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে বলে আমরা আশা করছি। ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকেও ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বরিশাল ও চট্টগ্রামে তুলনামূলকভাবে ইলিশের দাম কম।

প্রবাসীদের জন্য ইলিশ রপ্তানির পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, দেশে বসবাসরত মানুষের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পরীক্ষামূলকভাবে এক বা দুইটি দেশে ইলিশ রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রপ্তানির জন্য সেসব দেশ বাছাই করা হচ্ছে যেখানে বাংলাদেশি প্রবাসীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।