ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে বসতঘর ভস্মীভূত, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি এসি সোহেল কারাগারে: অর্থ আত্মসাতের মামলার রায় ইরানের অবরুদ্ধ অর্থ এবার কাজে লাগবে জরুরি পণ্য ক্রয়ে সালমানের ভাবমূর্তি ফেরানোর উদ্যোগে নতুন মোড় ​প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আইনি বাধা নেই এইচএসসি কেন্দ্রগুলোতে এবার নজরদারি করবে পুলিশের ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ রাজনৈতিক নির্দেশনার আলোকেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে বলছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ​ক্রিকেট উন্মাদনা: বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান, খেলবে ৫ ওয়ানডের সিরিজ ​৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান ও পাকিস্তান ​জুলাই মাসের এলপিজির নতুন দর ঘোষণা আজ বিকেলে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সাথী-তৌহিদ এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার মাইটিভির

মাইটিভির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির উদ্দিন সাথী এবং তার ছেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে এবার হ্ত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত।

আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম জি.এম.ফারহান ইশতিয়াক।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই গোলাম কিবরিয়া খান আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন রোববার। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য এ দিন ঠিক করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সরকার পতনের আন্দোলনের সময় ২০ জুলাই মধ্যবাড্ডার ইউলুপ এলাকায় আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, গুলিবর্ষণ করা হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে দুর্জয় নামের এক ব্যক্তির দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া মাথায় গুরুতর আঘাতও পান তিনি। ওই সময় তাকে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।

পরে পথচারীরা তাকে এ এম জেড হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তাকে পাঠিয়ে দেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন দুর্জয়। এ ঘটনায় গত বছরের ২০ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯০ জনের নামে বাড্ডা থানায় মামলা করেন দুর্জয়।

গত ১৭ অগাস্ট গুলশান থেকে নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় তাবে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। রিমান্ড শেষে ২৩ অগাস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এছাড়া ২৪ অগাস্ট বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি পুলিশ। পরদিন তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে ৩০ অগাস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এবার বাবা ও ছেলেকে জুলাই আন্দোলনের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে বসতঘর ভস্মীভূত, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

সাথী-তৌহিদ এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার মাইটিভির

আপডেট সময় ০১:০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

মাইটিভির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির উদ্দিন সাথী এবং তার ছেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে এবার হ্ত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত।

আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম জি.এম.ফারহান ইশতিয়াক।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই গোলাম কিবরিয়া খান আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন রোববার। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য এ দিন ঠিক করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সরকার পতনের আন্দোলনের সময় ২০ জুলাই মধ্যবাড্ডার ইউলুপ এলাকায় আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, গুলিবর্ষণ করা হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে দুর্জয় নামের এক ব্যক্তির দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া মাথায় গুরুতর আঘাতও পান তিনি। ওই সময় তাকে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।

পরে পথচারীরা তাকে এ এম জেড হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তাকে পাঠিয়ে দেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন দুর্জয়। এ ঘটনায় গত বছরের ২০ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯০ জনের নামে বাড্ডা থানায় মামলা করেন দুর্জয়।

গত ১৭ অগাস্ট গুলশান থেকে নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় তাবে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। রিমান্ড শেষে ২৩ অগাস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এছাড়া ২৪ অগাস্ট বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি পুলিশ। পরদিন তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে ৩০ অগাস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এবার বাবা ও ছেলেকে জুলাই আন্দোলনের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো।