প্রয়াত পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘মাইকেল’ বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে আয়ের নতুন ইতিহাস গড়েছে। ৯৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘ওপেনহেইমার’কে হটিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী বায়োপিকের মুকুট এখন এই ছবিটির দখলে।
হলিউডভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভ্যারাইটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরমাণু বোমার জনক জে রবার্ট ওপেনহেইমারকে নিয়ে নির্মিত ‘ওপেনহেইমার’ ছবিটির বৈশ্বিক আয় ছিল ৯৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এতদিন এটিই ছিল সর্বোচ্চ আয়কারী বায়োপিক। শুধু তা-ই নয়, সংগীতশিল্পীদের নিয়ে নির্মিত বায়োপিকের তালিকাতেও ‘মাইকেল’ শীর্ষস্থান দখল করেছে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল ব্রিটিশ ব্যান্ড কুইনের প্রধান গায়ক ফ্রেডি মার্কারিকে নিয়ে নির্মিত ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’র (৯১ কোটি ১০ লাখ ডলার) দখলে।
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অ্যান্টনি ফুকুয়া। এতে পপসম্রাটের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। এই ছবির মাধ্যমেই অভিনয়ে অভিষেক হলো তার। চলচ্চিত্রে মাইকেল জ্যাকসনের শৈশব, ‘দ্য জ্যাকসন ৫’-এর সদস্য হিসেবে সংগীতাঙ্গনে পদার্পণ এবং কালক্রমে ‘কিং অব পপ’ হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। নিখুঁত মঞ্চপরিবেশনা ও জনপ্রিয় গানগুলোর চমৎকার চিত্রায়ণের কারণে দর্শকেরা বারবার প্রেক্ষাগৃহে ফিরে আসছেন, যা ছবিটির ব্যবসায়িক সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে।
তবে ব্যবসায়িক দিক থেকে ইতিহাস গড়লেও ছবিটি সমালোচকদের তিরস্কার থেকে বাঁচতে পারেনি। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মাইকেল জ্যাকসনের বিরুদ্ধে ওঠা শিশু যৌন নির্যাতনের মতো জীবনের সবচেয়ে বিতর্কিত অধ্যায়গুলো এই সিনেমায় সযত্নে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে দর্শকদের সামনে পপ তারকার একটি ‘পরিশোধিত’ বা বিতর্কমুক্ত ভাবমূর্তি তুলে ধরা হয়েছে বলে মনে করছেন চিত্রসমালোচকরা।

ডিজিটাল ডেস্ক 























