সৌদি আরবে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার করেছে সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী, গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ১৩,৭২৪ জন অবৈধ প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৩ আগস্ট থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে মোট ১৪,২৬০ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করা হয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর দেওয়া তথ্যানুসারে আটকদের বিবরণ:
ইকামা (রেসিডেন্সি) আইন লঙ্ঘন: ৬,৯০০ জন
সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘন: ৩,৯৮২ জন
শ্রম আইন লঙ্ঘন: ৩,৩৭৮ জন
এছাড়া অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় দেওয়া, যাতায়াতে পরিবহন সুবিধা প্রদান কিংবা কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার অপরাধে আরও ২৪ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি:
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, অবৈধভাবে প্রবেশকারী বা অবস্থানকারী কাউকে কোনো ধরনের আশ্রয়, পরিবহন কিংবা অন্য যেকোনো উপায়ে সহযোগিতা করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ জাতীয় অপরাধের সাথে জড়িত প্রমাণিত হলে:
সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
অপরাধে ব্যবহৃত গাড়ি ও ব্যবহৃত আবাসন বাজেয়াপ্ত করা হবে।
প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সতর্কতা:
সৌদি আরবে অবস্থানরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিজ নিজ ইকামা, কাজের অনুমতিপত্র (ওয়ার্ক পারমিট) ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইনি নথিপত্রের মেয়াদ নিয়মিত যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোনো প্রকার অবৈধ প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত না হতে এবং অন্য কাউকেও আইনবহির্ভূত কাজে সহায়তা না করতে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি 


















