সবার আগে বাংলাদেশ গঠন প্রক্রিয়ায় দেশনায়ক মানণীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিস্কার চিন্তা-ভাবনা করে দেখেছেন গ্রাম বাংলার সবদিক দিয়ে উন্নতি না হলে বাংলাদেশের উন্নতির প্রত্যাশা দূরাশা মাত্র। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার পিতাও এই স্বপ্নই দেখেছিলেন কিন্তু এর আগেই তিনি শাহাদাত বরণ করেছিলেন।
গ্রামবাংলার মানুষ সুখে থাকবেন। ভালো থাকবেন। এরকম একটি প্রত্যাশিত স্বপ্ন দেখে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী বর্তমান সরকারের মানণীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বারবারই অন্যন্য গতিশীল কর্ম সেবা কার্যক্রমের পাশাপাশি বাংলাদেশের গ্রাম এবং গ্রামবাংলার মানুষের উন্নয়নের কথা বলে যাচ্ছেন এবং তার রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতা-কর্মিদের নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছেন যা পুরোটাই দৃশ্যমান।
কিন্তু গ্রামবাংলার মানুষ কি আসলেই সুখ-সমৃদ্বিতে আছে ?
ময়মনসিংহ থেকে ঈশ্বরগন্জ উপজেলাটি প্রায় ২০/২৫ কিলোমিটার দুরে। তার থেকেও কিছুটা দুরে তারুন্দিয়া ইউনিয়নের সাখুয়া গ্রাম। সাখয়া গ্রামের একজন ৩৫/৪০ বছরের বিধবা মহিলা খাদিজা বেগম তার পাঁচ ছেলে-মেয়ে নিয়ে প্রতিদিন কষ্ট করে জীবন কাটান। তার স্বামীর নাম সিরাজুল ইসলাম। সিরাজুল ইসলাম ২০২৩ সনে ইন্তেকাল করেন। জানাগেছে বড় ছেলেটি নবম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে। শেষ পঞ্চম সন্তানটি শিশু। বিধবা মহিলা খাদিজার একমাত্র বসত ভিটাটি ছাড়া আর কিছু নেই। নেই কোন উপার্জনক্ষম মানুষ। বসতভিটার উঠানে একটি মাত্র লিচু গাছ আছে খাদিজার।
অভিযোগে জানাগেছে১০ নং তারুন্দিয়া ইউনিয়নের বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাকের ঘনিষ্ঠ আত্নীয় ২৫ বছরের রতন কাউকে না জানিয়ে খাদিজার লিচু গাছটি কেটে একই জায়গায় ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে খাদিজা এবং স্থানীয়বাসি এব্যপারে এগিয়ে আসলে রতন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ধাওয়া দেয়। প্রাণের ভয়ে তারা একসময় স্থান ত্যাগ করে। জানাগেছে রতন তার বিএনপি করা আত্মীয়ের দাপট দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে।
জানাগেছে কোন উপায়ন্তর না দেখে খাদিজা অভিযোগ নিয়ে ঈশ্বরগন্জ থানার শরণাপন্ন হোন। কিন্তু থানা কতৃপক্ষ এই বিষয়টি বিএনপির নেতাদের মাধ্যমে মীমাংশা করার কথা বলে খাদিজার অভিযোগটি ফিরিয়ে দেন।
পরবর্তীতে থানার কথামত খাদিজা সুবিচারের প্রত্যাশায় ঈশ্বরগন্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম ভুইয়া মণির কাছে অভিযোগপত্রটি নিয়ে
যান।
জানাগেছে বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল ইসলাম ভুইয়া মণি বিএনপির একজন ত্যগী নেতা। তিনি সবসময়ই গরীব দুখীজনদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেথাকেন। ঈশ্বরগন্জ উপজেলায় আমিনুল ইসলাম ভুইয়া মণি জনপ্রিয় বিএনপি নেতা হিসেবে সুখ্যাতি আছে।
আমিনুল ইসলাম ভুইয়া মণি সাথে সাথে মীমাংসার জন্য দায়িত্ব দেন তারুন্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি উসমান গণির কাছে।জানাগেছে ভুক্তভোগী খাদিজার উল্লেখিত সমস্যা সমাধানে ত্বরিত সমাধানে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উসমান গণী কাজ করে যাচ্ছেন এবং শীঘ্রই ভুক্তভোগী খাদিজা সুষ্ঠু বিচার পাবেন বলে স্থানীয়বাসিরা বিশ্বাস করেন।
স্থানীয়বাসিরা এই প্রতিবেদকের কাছে এটাও জানান যে মানণীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রামকে উন্নয়নের জন্য যেভাবে গ্রাম গ্রামান্তরের মানুষদের ঝামেলা ও বিভিন্ন সমস্যা থেকে উত্তরণে এগিয়ে এসেছেন আমরাও তার প্রিয় দলের প্রতি অকুন্ঠ শ্রদ্ধা জানিয়ে মানণীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর। স্থানীয়বাসি আরও জানান তারা সবাই উদ্যোগী হয়ে খাদিজার পাশে থাকবো এবং তার মতো অন্যান্য ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়াবো ।

মো:আনোয়ারুল কাদির 


















