বাধ্য হয়ে পড়াশোনা ও চাকরি ছেড়ে এখন গ্রামের বাড়িতেই আছেন তিনি।
এক বোনের বিয়ে হয়েছে ও আরেক বোন অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। মাধবদীর বাবুরহাট এলাকার কৌলানপুর ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি পরিবারকে সহায়তা করতে একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করতেন। ১৮ জুলাই প্রথমবারের মতো আন্দোলনে সরাসরি যোগ দেন। চোখের সামনে বহু মানুষকে মরতে দেখেছেন।
তবে তিনি পিছপা হননি। একপর্যায়ে তাঁর দুই চোখেই ছররা গুলি এসে লাগে। প্রথমদিকে চিকিৎসা নেওয়ার সময় বাঁচবেন কি না সেই শঙ্কা ছিল। এখন বেঁচে গেলেও চোখ নিয়ে শঙ্কায় আছেন। দুই চোখেই তিনি কিছু দেখেন না। পরিবারের আর্থিক অবস্থা এমন যে ভালো করে চিকিৎসা করানোও সম্ভব নয়। দেখতে পারবেন কি না সে বিষয়েও চিকিৎসক নিশ্চিত করে কিছু বলছেন না।’