ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যুবদল নেতা গ্রেপ্তার জুলাই আন্দোলনে হামলার অভিযোগে

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিন্টু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের ভাষ্য, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলায় ঘটনা জড়িত মিন্টু। অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘিওর উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত শুক্রবার (৩০ মে) মধ্যরাতে নালী ইউনিয়নের দিয়াইল গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। মিন্টু দিয়াইল গ্রামের তমেজ আলীর ছেলে। দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় তিনি।

তবে পুলিশের দাবি, মিন্টু আওয়ামী লীগ কর্মী। গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় তিনি জড়িত।

অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদল নেতারা বলছেন, মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বর্তমানে ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. ফারুক মিয়া বলেন, মিন্টু আমাদের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। আমার স্বাক্ষরিত কমিটিতেই তার নাম রয়েছে। তাকে আওয়ামী লীগের কর্মী বানিয়ে গ্রেপ্তার করা উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসলাম হোসেন বলেন, ‘মিন্টু আমাদের দীর্ঘদিনের সহকর্মী। রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন তিনি। হয়তো ব্যক্তিগত কোনো দ্বন্দ্বের জেরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু বলেন, ‘যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, সেটি ১৮ জুলাইয়ের ঘটনা। অথচ সেটিকে ৪ আগস্ট বলে চালানো হচ্ছে। আমি নিজে ওই দিনের আন্দোলনে ছিলাম। সেখানে মিন্টুর সম্পৃক্ততা ছিল না। তাকে মিথ্যা ভিডিও ও মনগড়া অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা। আমার কর্মীকে আমার বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং মিন্টুর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।’

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা এখনও কোনও মন্তব্য দেননি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

যুবদল নেতা গ্রেপ্তার জুলাই আন্দোলনে হামলার অভিযোগে

আপডেট সময় ১১:৩০:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিন্টু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের ভাষ্য, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলায় ঘটনা জড়িত মিন্টু। অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘিওর উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত শুক্রবার (৩০ মে) মধ্যরাতে নালী ইউনিয়নের দিয়াইল গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। মিন্টু দিয়াইল গ্রামের তমেজ আলীর ছেলে। দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় তিনি।

তবে পুলিশের দাবি, মিন্টু আওয়ামী লীগ কর্মী। গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় তিনি জড়িত।

অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদল নেতারা বলছেন, মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বর্তমানে ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নালী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. ফারুক মিয়া বলেন, মিন্টু আমাদের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। আমার স্বাক্ষরিত কমিটিতেই তার নাম রয়েছে। তাকে আওয়ামী লীগের কর্মী বানিয়ে গ্রেপ্তার করা উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসলাম হোসেন বলেন, ‘মিন্টু আমাদের দীর্ঘদিনের সহকর্মী। রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন তিনি। হয়তো ব্যক্তিগত কোনো দ্বন্দ্বের জেরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু বলেন, ‘যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, সেটি ১৮ জুলাইয়ের ঘটনা। অথচ সেটিকে ৪ আগস্ট বলে চালানো হচ্ছে। আমি নিজে ওই দিনের আন্দোলনে ছিলাম। সেখানে মিন্টুর সম্পৃক্ততা ছিল না। তাকে মিথ্যা ভিডিও ও মনগড়া অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা। আমার কর্মীকে আমার বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং মিন্টুর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।’

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা এখনও কোনও মন্তব্য দেননি।