ময়মনসিংহ , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জিয়া মঞ্চের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত পূর্বধলায় জাতীয় যুব দিবসের কর্মসূচির সমাপ্তি হলো পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ফুটবল প্রীতি টুর্নামেন্টে শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আইনগত প্রক্রিয়ায় আছি, এখানে আবেগের স্থান নেই জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী পূর্বধলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ময়মনসিংহে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নেত্রকোণায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলাব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান, অংশ নিলেন ৬ হাজার ৮৪১ জন মুক্তিযোদ্ধা-সৈনিক হত্যা দিবস’ পালনে নিউইয়র্কে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গণসংবর্ধনায় বিপুল জনসমাগমে শেরপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান তারাকে বরণ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শেরপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান তারাকে এক বিশাল গণসংবর্ধনার মাধ্যমে বরণ করে নিল নালিতাবাড়ী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নালিতাবাড়ীর ১২টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ থানা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ছিল প্রাণবন্ত পরিবেশ, ব্যাপক উপস্থিতি এবং ফজলুর রহমান তারার প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব কামরুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “বিএনপি নেতাকর্মীদের এই ঐক্য ও উদ্দীপনা প্রমাণ করে, আমাদের শেরপুরে সংগঠন এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত। ফজলুর রহমান তারার নেতৃত্বে আমরা আগামীর আন্দোলন-সংগ্রামে আরও দৃঢ় হবো।”
অনুষ্ঠানে . মো. ফজলুর রহমান তারা বলেন, “জনতার ভালোবাসাই আমার শক্তি। আমি জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “নালিতাবাড়ীর প্রতিটি ইউনিয়নে সংগঠনকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নেতাকর্মীদের ঐক্যই বিএনপির মূল শক্তি। আমাদের লক্ষ্য গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।”
গণসংবর্ধনা শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বিএনপির শক্তি ও জনপ্রিয়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

গণসংবর্ধনায় বিপুল জনসমাগমে শেরপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান তারাকে বরণ

আপডেট সময় ১২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শেরপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুর রহমান তারাকে এক বিশাল গণসংবর্ধনার মাধ্যমে বরণ করে নিল নালিতাবাড়ী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নালিতাবাড়ীর ১২টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ থানা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ছিল প্রাণবন্ত পরিবেশ, ব্যাপক উপস্থিতি এবং ফজলুর রহমান তারার প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব কামরুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “বিএনপি নেতাকর্মীদের এই ঐক্য ও উদ্দীপনা প্রমাণ করে, আমাদের শেরপুরে সংগঠন এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত। ফজলুর রহমান তারার নেতৃত্বে আমরা আগামীর আন্দোলন-সংগ্রামে আরও দৃঢ় হবো।”
অনুষ্ঠানে . মো. ফজলুর রহমান তারা বলেন, “জনতার ভালোবাসাই আমার শক্তি। আমি জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “নালিতাবাড়ীর প্রতিটি ইউনিয়নে সংগঠনকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নেতাকর্মীদের ঐক্যই বিএনপির মূল শক্তি। আমাদের লক্ষ্য গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।”
গণসংবর্ধনা শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বিএনপির শক্তি ও জনপ্রিয়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।