ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সার কারখানায় শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

‘এক করপোরেশন এক স্কেল’ বাস্তবায়ন ও কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সংযোগ চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের শ্রমিক-কর্মচারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও গেট মিটিং করেছেন।

আজ রোববার (১০ আগস্ট) সকাল ৯টায় কারখানার গেটের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আক্তার হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ।

এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার বলেন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীনে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, যা দেশের অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রেখেছে। অথচ বছরের বেশিরভাগ সময় কারখানাটিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখায় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন একদিকে যেমন ব্যাহত হচ্ছে তেমনি ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটাতে আমদানি নির্ভরতা বাড়াতে হচ্ছে।

এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি বজলুর রশিদ বলেন, একই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা দুই ধরনের বেতন স্কেল পাবে তা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। কারখানার অপারেটর ও টেকনিশিয়ানরা এখনো মজুরি স্কেলে বেতন পাচ্ছে। অথচ অন্যান্য শ্রমিকদের পে-কমিশনের আওতায় বেতন হচ্ছে, যা চরম বৈষম্য।

এ সময় পে-কমিশনভুক্ত শ্রমিকদের মতো জাতীয় মজুরি কমিশনভুক্তদের ১৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত কারখানায় গ্যাস সংযোগ চালু করে সার উৎপাদন শুরু করার দাবি জানানো হয়।

দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন নেতারা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল সার কারখানা চত্বরে প্রদক্ষিণ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

সার কারখানায় শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ১২:৪২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

‘এক করপোরেশন এক স্কেল’ বাস্তবায়ন ও কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সংযোগ চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের শ্রমিক-কর্মচারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও গেট মিটিং করেছেন।

আজ রোববার (১০ আগস্ট) সকাল ৯টায় কারখানার গেটের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আক্তার হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ।

এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার বলেন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীনে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, যা দেশের অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রেখেছে। অথচ বছরের বেশিরভাগ সময় কারখানাটিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখায় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন একদিকে যেমন ব্যাহত হচ্ছে তেমনি ইউরিয়া সারের চাহিদা মেটাতে আমদানি নির্ভরতা বাড়াতে হচ্ছে।

এএফসিসিএল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি বজলুর রশিদ বলেন, একই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা দুই ধরনের বেতন স্কেল পাবে তা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। কারখানার অপারেটর ও টেকনিশিয়ানরা এখনো মজুরি স্কেলে বেতন পাচ্ছে। অথচ অন্যান্য শ্রমিকদের পে-কমিশনের আওতায় বেতন হচ্ছে, যা চরম বৈষম্য।

এ সময় পে-কমিশনভুক্ত শ্রমিকদের মতো জাতীয় মজুরি কমিশনভুক্তদের ১৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা দ্রুত কার্যকরের দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত কারখানায় গ্যাস সংযোগ চালু করে সার উৎপাদন শুরু করার দাবি জানানো হয়।

দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন নেতারা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল সার কারখানা চত্বরে প্রদক্ষিণ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দেন।