ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশেষ অভিযানে কানাইঘাট পুলিশের সাফল্য: মানবপাচার ও হত্যাচেষ্টা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মোংলায় এক দিনের সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী জামায়াতের ওপর বিএনপির লোকেরা আক্রমণ করা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আখতারুজ্জামান ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ‘ব্লু টাইড’; কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের হারিয়ে চমক শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত, ৯৯ জন পেলেন আর্থিক সহায়তা পূর্বধলায় শিক্ষকদের জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, অস্ত্রের মুখে পদত্যাগের দাবি নাকচ বিএনপি নেতা সেলিম উদ্দিনের শার্শায় গোগা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ৪৮৬ বোতল ভারতীয় সিরাপ উদ্ধার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হাসনাত ও জারার শিক্ষকদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বাড়িভাড়া বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে টানা আটদিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন। গত ১৭ অক্টোবর দুপুর ২টা থেকে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন শুরু করেন, যা এখন পর্যন্ত প্রায় ৪২ ঘণ্টা চলেছে। অনশনে অংশ নেওয়া কিছু শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) ভোরে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাসনিম জারা শহীদ মিনারে গিয়ে শিক্ষকদের খোঁজ-খবর নেন। তারা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী ফেসবুকে এ বিষয়টি জানিয়েছেন।

অধ্যক্ষ আজিজী জানান, আজ শিক্ষকরা শিক্ষা ভবন অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ আয়োজন করবেন। এতে তারা খালি থালা ও প্লেট হাতে মিছিল করবেন। শনিবার রাতে তিনি এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন এবং বলেন, ‘আমরা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলছি, কিন্তু নিজেদের জীবনে নিরাপত্তা ও স্বীকৃতির নিশ্চয়তা পাই না। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি শুনলেও কোনো বাস্তব ফল হয়নি। তাই ‘খালি থালা হাতে’ রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এটি আমাদের অন্তরের বঞ্চনা ও অসম্মানের প্রতিবাদ।’

তিনি আরও বলেন, সরকার চাইলে যে কোনো সময় এই সংকটের সমাধান করতে পারে। সরকারের প্রতি বিনীত আবেদন, শিক্ষকদের আর অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখবেন না। শিক্ষক সমাজ মর্যাদা চায়, করুণা নয়।

গত ১২ অক্টোবর শিক্ষকেরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন, যেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে বিকেলে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেয় এবং সেখান থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে সারাদেশের প্রায় ৩০ হাজার এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলছে। এতে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষকদের তিন দফা দাবি:
১. মূল বেতনের ওপর ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া
২. ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা
৩. কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা (বোনাস)

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশেষ অভিযানে কানাইঘাট পুলিশের সাফল্য: মানবপাচার ও হত্যাচেষ্টা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার

হাসনাত ও জারার শিক্ষকদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ

আপডেট সময় ১০:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বাড়িভাড়া বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে টানা আটদিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন। গত ১৭ অক্টোবর দুপুর ২টা থেকে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন শুরু করেন, যা এখন পর্যন্ত প্রায় ৪২ ঘণ্টা চলেছে। অনশনে অংশ নেওয়া কিছু শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) ভোরে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাসনিম জারা শহীদ মিনারে গিয়ে শিক্ষকদের খোঁজ-খবর নেন। তারা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী ফেসবুকে এ বিষয়টি জানিয়েছেন।

অধ্যক্ষ আজিজী জানান, আজ শিক্ষকরা শিক্ষা ভবন অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ আয়োজন করবেন। এতে তারা খালি থালা ও প্লেট হাতে মিছিল করবেন। শনিবার রাতে তিনি এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন এবং বলেন, ‘আমরা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলছি, কিন্তু নিজেদের জীবনে নিরাপত্তা ও স্বীকৃতির নিশ্চয়তা পাই না। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি শুনলেও কোনো বাস্তব ফল হয়নি। তাই ‘খালি থালা হাতে’ রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এটি আমাদের অন্তরের বঞ্চনা ও অসম্মানের প্রতিবাদ।’

তিনি আরও বলেন, সরকার চাইলে যে কোনো সময় এই সংকটের সমাধান করতে পারে। সরকারের প্রতি বিনীত আবেদন, শিক্ষকদের আর অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখবেন না। শিক্ষক সমাজ মর্যাদা চায়, করুণা নয়।

গত ১২ অক্টোবর শিক্ষকেরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন, যেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে বিকেলে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেয় এবং সেখান থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে সারাদেশের প্রায় ৩০ হাজার এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলছে। এতে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষকদের তিন দফা দাবি:
১. মূল বেতনের ওপর ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া
২. ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা
৩. কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা (বোনাস)