ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৩০ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ শাহ আমানত বিমানবন্দরে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমসের অভিযানে বিপুল পরিমাণ আমদানি-নিয়ন্ত্রিত বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে এসব সিগারেট উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউসের এআইআর শাখার সহযোগিতায় বিমানবন্দরের ‘এ’ শিফট তল্লাশি কার্যক্রম চালায়। এ সময় ১ হাজার ৫১৪টি কার্টনে থাকা ‘মন্ড’ ব্র্যান্ডের মোট ৩ লাখ ২ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট জব্দ করা হয়।

এর মধ্যে দুবাই থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের (বিএস-৩৪৪) চারজন যাত্রীর কাছ থেকে ৯৮৯ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। ওই চার যাত্রী হলেন– মিজানুর রহমান (২৩০ কার্টন), মো. রেদোয়ান (২৭০ কার্টন), রেজাউল করিম (২৩৯ কার্টন) এবং সালাউদ্দিন (২৫০ কার্টন)। এ ছাড়া শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার (জি ৯৫২০) একটি ফ্লাইটে মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ৫২৫ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়।কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, আমদানি নীতি আদেশ ২০২২-২৫ অনুযায়ী সিগারেট একটি নিয়ন্ত্রিত পণ্য। এসব সিগারেটের প্যাকেটে সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বাণী এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষতিকর ছবি থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও জব্দ করা সিগারেটের ক্ষেত্রে তা প্রতিপালন করা হয়নি। উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্য হওয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ব্যাগেজের মাধ্যমে এসব সিগারেট চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, জব্দ করা সিগারেটগুলো ডিটেনশন মেমো (ডিএম) মূলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কাস্টমস আইনের আওতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩০ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ শাহ আমানত বিমানবন্দরে

আপডেট সময় ০৯:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমসের অভিযানে বিপুল পরিমাণ আমদানি-নিয়ন্ত্রিত বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে এসব সিগারেট উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস হাউসের এআইআর শাখার সহযোগিতায় বিমানবন্দরের ‘এ’ শিফট তল্লাশি কার্যক্রম চালায়। এ সময় ১ হাজার ৫১৪টি কার্টনে থাকা ‘মন্ড’ ব্র্যান্ডের মোট ৩ লাখ ২ হাজার ৮০০ শলাকা সিগারেট জব্দ করা হয়।

এর মধ্যে দুবাই থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের (বিএস-৩৪৪) চারজন যাত্রীর কাছ থেকে ৯৮৯ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। ওই চার যাত্রী হলেন– মিজানুর রহমান (২৩০ কার্টন), মো. রেদোয়ান (২৭০ কার্টন), রেজাউল করিম (২৩৯ কার্টন) এবং সালাউদ্দিন (২৫০ কার্টন)। এ ছাড়া শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার (জি ৯৫২০) একটি ফ্লাইটে মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ৫২৫ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়।কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, আমদানি নীতি আদেশ ২০২২-২৫ অনুযায়ী সিগারেট একটি নিয়ন্ত্রিত পণ্য। এসব সিগারেটের প্যাকেটে সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বাণী এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষতিকর ছবি থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও জব্দ করা সিগারেটের ক্ষেত্রে তা প্রতিপালন করা হয়নি। উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্য হওয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ব্যাগেজের মাধ্যমে এসব সিগারেট চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, জব্দ করা সিগারেটগুলো ডিটেনশন মেমো (ডিএম) মূলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কাস্টমস আইনের আওতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।