ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাঙ্গামাটিতে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা: অপরাধ দমনে ডিআইজির কঠোর হুঁশিয়ারি গ্যাস সংকট কাটাতে আরও দুই বছর লাগতে পারে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ “একজন বাবার ভূমিকা” বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জন্ম ও ওফাত দিবস ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুতই নীতিমালা প্রণয়ন করবে সরকার বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ২৬ আগস্ট হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ মাগুরার চাঞ্চল্যকর আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায় সোমবার নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার কলাবাগানে নিজ বাসা থেকে স্বর্ণের ভরি আড়াই লাখ ছুঁইছুঁই বিচারকদের জন্য কঠোর নির্দেশনা: কোনো ধরনের বাণিজ্যিক কোচিংয়ে যুক্ত হওয়া যাবে না
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৩৫ সাঁতারু বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন

উত্তাল সাগর আর দীর্ঘ পথের চ্যালেঞ্জ জয় করে আবারও ইতিহাস গড়লেন দেশের সাঁতারুরা। কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন ৩৫ জন সাঁতারু।

গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। সাঁতারুরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে প্রতিযোগিতা শেষ করেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার।

বাংলা চ্যানেল পাড়িতে প্রথম হয়েছেন সাইফুল ইসলাম রাসেল। 

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০২৩ সালে ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে বাংলা চ্যানেল অতিক্রম করে প্রথম হয়েছিলেন সাইফুল ইসলাম রাসেল।

কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, ‘যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯তম বাংলা চ্যানেল সাঁতার প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে এই প্রতিযোগিতা নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে। এ বছর ৩৫ জন সাঁতারু অংশ নেন।’

এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলা চ্যানেল সফলভাবে পাড়ি দেন দুজন নারী সাঁতারু। তারা হলেন—ঢাকা ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ফেরদৌসী আক্তার এবং দ্বিতীয়বারের মতো বাংলা চ্যানেল জয় করা এম এস টি সোহাগী আক্তার।

সপ্তমবার বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নেওয়া সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, ‘এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছি। ২০২১ সালে একসঙ্গে ডাবল ক্রস করেছি। আজ সাগর কিছুটা প্রতিকূল ছিল, তারপরও প্রথম হতে পেরে ভালো লাগছে।’

কিং অব বাংলা চ্যানেল খ্যাত এবং ২০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া সাঁতারু ও ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার বলেন, ‘এবার দুজন নারীসহ ৩৫ জন সাঁতারু অংশ নিয়েছেন। ২১ জন সফলভাবে পাড়ি দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে সাঁতার পরিচালনা করা হয়েছে। প্রত্যেক সাঁতারুর নিরাপত্তায় আলাদা বোট ও উদ্ধারকর্মী নিয়োজিত ছিল। আমরা বাংলা চ্যানেল সাঁতারকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা: অপরাধ দমনে ডিআইজির কঠোর হুঁশিয়ারি

৩৫ সাঁতারু বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তাল সাগর আর দীর্ঘ পথের চ্যালেঞ্জ জয় করে আবারও ইতিহাস গড়লেন দেশের সাঁতারুরা। কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন ৩৫ জন সাঁতারু।

গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। সাঁতারুরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে প্রতিযোগিতা শেষ করেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার।

বাংলা চ্যানেল পাড়িতে প্রথম হয়েছেন সাইফুল ইসলাম রাসেল। 

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০২৩ সালে ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে বাংলা চ্যানেল অতিক্রম করে প্রথম হয়েছিলেন সাইফুল ইসলাম রাসেল।

কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, ‘যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯তম বাংলা চ্যানেল সাঁতার প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে এই প্রতিযোগিতা নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে। এ বছর ৩৫ জন সাঁতারু অংশ নেন।’

এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলা চ্যানেল সফলভাবে পাড়ি দেন দুজন নারী সাঁতারু। তারা হলেন—ঢাকা ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ফেরদৌসী আক্তার এবং দ্বিতীয়বারের মতো বাংলা চ্যানেল জয় করা এম এস টি সোহাগী আক্তার।

সপ্তমবার বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নেওয়া সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, ‘এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছি। ২০২১ সালে একসঙ্গে ডাবল ক্রস করেছি। আজ সাগর কিছুটা প্রতিকূল ছিল, তারপরও প্রথম হতে পেরে ভালো লাগছে।’

কিং অব বাংলা চ্যানেল খ্যাত এবং ২০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া সাঁতারু ও ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার বলেন, ‘এবার দুজন নারীসহ ৩৫ জন সাঁতারু অংশ নিয়েছেন। ২১ জন সফলভাবে পাড়ি দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে সাঁতার পরিচালনা করা হয়েছে। প্রত্যেক সাঁতারুর নিরাপত্তায় আলাদা বোট ও উদ্ধারকর্মী নিয়োজিত ছিল। আমরা বাংলা চ্যানেল সাঁতারকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি।’