ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যারা বিক্রি হচ্ছেন তাদের হিসাব ১২ তারিখের পর হবে বললেন বিএনপি প্রার্থী ফারুক

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক তার নির্বাচনী এলাকায় দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা নেতাকর্মী ও স্থানীয় জামায়াত অনুসারীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। 

গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সোনাইমুড়ীর নাটেশ্বর ইউনিয়নের আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যারা আদর্শ বিচ্যুত হয়ে বিক্রি হচ্ছেন, তাদের প্রকৃত হিসাব আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরেই নেওয়া হবে।

নির্বাচনী জনসভায় জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, যারা এক সময় বিএনপির রাজনীতি করেছেন এবং বর্তমানে বহিষ্কৃত অবস্থায় আছেন, তাদের উচিত ছিল ক্ষমা চেয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করা। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তারা তা না করে ‘স্বতন্ত্র বেঈমান’ প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন।

প্রচারণার সময় নিজের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে, এই হামলায় সেনবাগের কোনো সাধারণ মানুষ জড়িত নয় বরং কুমিল্লার লাকসাম ও ফেনীর দাগনভূঞা থেকে ২২ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে এই নাশকতা চালানো হয়েছে।

হামলার খবর পেয়ে তার হাজার হাজার নেতাকর্মী রাজপথে নেমে এলেও তিনি তাদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ফারুক জানান যে, তিনি নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও নেতাকর্মীদের রক্ষার শপথ নিয়েছেন এবং সন্ত্রাসের বদলে ভোটের মাধ্যমে এর জবাব দিতে চান।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে জয়নুল আবদিন ফারুক দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ সারা দেশে ২৮০টি আসনে জয়লাভ করবে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন, তারা কখনোই ধানের শীষের বাইরে গিয়ে অন্য কোনো স্বতন্ত্র প্রতীকে ভোট দিতে পারেন না। এই জনসভায় স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন

যারা বিক্রি হচ্ছেন তাদের হিসাব ১২ তারিখের পর হবে বললেন বিএনপি প্রার্থী ফারুক

আপডেট সময় ১২:১৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক তার নির্বাচনী এলাকায় দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা নেতাকর্মী ও স্থানীয় জামায়াত অনুসারীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। 

গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সোনাইমুড়ীর নাটেশ্বর ইউনিয়নের আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যারা আদর্শ বিচ্যুত হয়ে বিক্রি হচ্ছেন, তাদের প্রকৃত হিসাব আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরেই নেওয়া হবে।

নির্বাচনী জনসভায় জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, যারা এক সময় বিএনপির রাজনীতি করেছেন এবং বর্তমানে বহিষ্কৃত অবস্থায় আছেন, তাদের উচিত ছিল ক্ষমা চেয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করা। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তারা তা না করে ‘স্বতন্ত্র বেঈমান’ প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন।

প্রচারণার সময় নিজের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন যে, এই হামলায় সেনবাগের কোনো সাধারণ মানুষ জড়িত নয় বরং কুমিল্লার লাকসাম ও ফেনীর দাগনভূঞা থেকে ২২ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে এই নাশকতা চালানো হয়েছে।

হামলার খবর পেয়ে তার হাজার হাজার নেতাকর্মী রাজপথে নেমে এলেও তিনি তাদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ফারুক জানান যে, তিনি নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও নেতাকর্মীদের রক্ষার শপথ নিয়েছেন এবং সন্ত্রাসের বদলে ভোটের মাধ্যমে এর জবাব দিতে চান।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে জয়নুল আবদিন ফারুক দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ সারা দেশে ২৮০টি আসনে জয়লাভ করবে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন।

তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন, তারা কখনোই ধানের শীষের বাইরে গিয়ে অন্য কোনো স্বতন্ত্র প্রতীকে ভোট দিতে পারেন না। এই জনসভায় স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।