চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে কাজ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, আজ সকালে চীনের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। সেটা সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়। তার ধারাবাহিকতায় সবসময় একটা শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। চীন গুরুত্বপূর্ণ ডেভেলপমেন্ট পার্টনার বাংলাদেশের।
এই সম্পর্ক আরো কীভাবে জোরদার করা যায় এবং নতুন মাত্রায় নেওয়া যায় সে বিষয়ে কাজ করা হবে।
তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে যাবে উভয় দেশ। চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে কাজ করা হবে। চীন দীর্ঘদিনের বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র।
এই সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিতে ও পার্টনারশিপে কাজ করে উন্নয়ন করা যায় সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
চীন সফরে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, হ্যাঁ, প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এখনো সময়সূচি ঠিক করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আগে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবেন। এরপর উনি যখন বিদেশ সফর শুরু করবেন তখন তিনি চীন সফর নিয়ে বিবেচনা করবেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, চীন সরকার বাংলাদেশের জনমতকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে, মূলত সে শুভেচ্ছা জানাতেই তিনি এসেছিলেন।

অনলাইন ডেস্ক 



















