ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেরপুরে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি ঈদযাত্রায় নৌপথে কোনো বাড়তি ভাড়া আদায় করা যাবে না বললেন নৌপরিবহন মন্ত্রী যুদ্ধ কারো জন্য মঙ্গলজনক নয় বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে একটি উগ্র দক্ষিণপন্থা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন জোনায়েদ সাকি দেশজুড়ে আলোচিত নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামী গৌরীপুরে গ্রেফতার এলডিসি উত্তরণ পেছানোর আবেদন পর্যালোচনা করছে সিডিপি জানিয়েছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ২ মাসের জন্য মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক সরকারি অফিসে দুর্নীতিমুক্ত সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল বঙ্গোপসাগরে সীমান্ত নদী নিয়ে সুসংবাদ আসছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

এলডিসি উত্তরণ পেছানোর আবেদন পর্যালোচনা করছে সিডিপি জানিয়েছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

এ বিষয়ে সিডিপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো এবং সিডিপির সদস্য দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জানান, ইএমএম কাঠামোর অধীনে ‘ক্রাইসিস বাটন’ নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যা কেবল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বা কোনো অভাবিত সংকট তৈরি হলেই ব্যবহার করা হয়।

আবেদন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো সম্পর্কে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য স্পষ্ট করেন যে, সিডিপি কোনো সিদ্ধান্ত নিলেই প্রক্রিয়াটি সেখানে শেষ হয়ে যায় না। সিডিপির সুপারিশ প্রথমে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ইকোসোক) উপস্থাপিত হবে এবং সেখান থেকে অনুমোদনের পর তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকার এলডিসি উত্তরণ না পেছানোর সিদ্ধান্ত নিলেও বর্তমান নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এই সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর জন্য আবেদন পেশ করে।

বাংলাদেশ ২০১৮ এবং ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি—এই তিনটি সূচকেই উত্তীর্ণ হয়ে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছিল।

নিয়ম অনুযায়ী ২০২৪ সালেই বাংলাদেশের এলডিসি থেকে বের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু করোনা মহামারির প্রভাব বিবেচনায় তা দুই বছর পিছিয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখন নতুন করে সময় বাড়ানোর এই আবেদন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতির বিষয়টি পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি

এলডিসি উত্তরণ পেছানোর আবেদন পর্যালোচনা করছে সিডিপি জানিয়েছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

আপডেট সময় ১১:৫২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এ বিষয়ে সিডিপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো এবং সিডিপির সদস্য দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জানান, ইএমএম কাঠামোর অধীনে ‘ক্রাইসিস বাটন’ নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যা কেবল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বা কোনো অভাবিত সংকট তৈরি হলেই ব্যবহার করা হয়।

আবেদন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো সম্পর্কে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য স্পষ্ট করেন যে, সিডিপি কোনো সিদ্ধান্ত নিলেই প্রক্রিয়াটি সেখানে শেষ হয়ে যায় না। সিডিপির সুপারিশ প্রথমে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ইকোসোক) উপস্থাপিত হবে এবং সেখান থেকে অনুমোদনের পর তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকার এলডিসি উত্তরণ না পেছানোর সিদ্ধান্ত নিলেও বর্তমান নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এই সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর জন্য আবেদন পেশ করে।

বাংলাদেশ ২০১৮ এবং ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি—এই তিনটি সূচকেই উত্তীর্ণ হয়ে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছিল।

নিয়ম অনুযায়ী ২০২৪ সালেই বাংলাদেশের এলডিসি থেকে বের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু করোনা মহামারির প্রভাব বিবেচনায় তা দুই বছর পিছিয়ে ২০২৬ সাল নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখন নতুন করে সময় বাড়ানোর এই আবেদন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতির বিষয়টি পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে এসেছে।