আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির আগেই দেশের সকল শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডে নিজ সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে। সংসদ সদস্যরা সরাসরি কারখানা মালিকদের সঙ্গে কথা বলে বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা নেবেন।
সভায় উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন সরকারের অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে জানান, সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যেই বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন যে, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ অনুযায়ী কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।
বিজিএমইএ-র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু থাকা ২১২৭টি কারখানার মধ্যে প্রায় ৯২ শতাংশ ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন এবং ৭২ শতাংশের বেশি কারখানা ইতিমধ্যে বোনাস পরিশোধ করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মার্চ মাসের বেতন বাধ্যতামূলক না হলেও অনেকে এ নিয়ে উসকানি দিচ্ছে। বিকেএমইএ-র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও জানান যে, অধিকাংশ কারখানা বেতন-বোনাস দিয়ে দেওয়ায় বড় ধরনের অসন্তোষের আশঙ্কা নেই।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সমস্যার স্থায়ী সমাধানে একটি ‘আপদকালীন ফান্ড’ গঠনের প্রস্তাব দেন। সভায় ঢাকা-১৯, ঢাকা-২০ এবং গাজীপুর জেলার বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় মন্ত্রণালয় সব সময় পাশে থাকবে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হবে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 























