আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী যাত্রা নিরাপদ ও যানজটমুক্ত করতে একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানায়। তবে জনস্বার্থ বিবেচনা করে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের জন্য জারি করা নির্দেশনায় ডিএমপি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা একই আসনের টিকিট একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাসের ছাদে যাত্রী বহন এবং ফিটনেসবিহীন বা যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত যানবাহন রাস্তায় নামানোর বিষয়েও দেয়া হয়েছে কড়া হুঁশিয়ারি।
বেপরোয়া গতি, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো কিংবা চলন্ত অবস্থায় মোবাইল ফোন ও হেডফোন ব্যবহার বন্ধে সড়কগুলোতে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে।
অন্যদিকে যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপত্তায় ডিএমপি বেশ কিছু সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়েছে। অপরিচিত ব্যক্তির দেয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা, নির্দিষ্ট টার্মিনাল ছাড়া যত্রতত্র বাসে না ওঠা এবং পণ্যবাহী ট্রাকে যাত্রী হয়ে যাতায়াত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাস্তা পারাপারে ফুটওভারব্রিজ বা আন্ডারপাস ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে, যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা সরাসরি টার্মিনালের পুলিশ কন্ট্রোলরুম অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগ করতে পারবেন।
ঈদ আনন্দ যেন বিষাদে রূপ না নেয়, সে জন্য নগরবাসী ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই নির্দেশনাগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করার আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।

অনলাইন ডেস্ক 


















