ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলায় আজ শুরু হচ্ছে বইমেলা, উদ্বোধন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন দ্বীনি শিক্ষার নিভৃত সাধক মাওলানা আহমদ হোসাইন আর নেই পর্তুগালে নাগরিকত্ব এখন আরও কঠিন দোয়া কবুলের সময় জুমার দিন ময়মনসিংহ সদর অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের:ডা. শফিকুর রহমান পূর্বধলায় ‘নূর কস্তরী-৯৫ জর্দা’ নকলের দায়ে ২ জনের কারাদণ্ড, তবুও বন্ধ হয়নি নকল কারবার অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্র জানিয়েছেন গোলাম পরওয়ার জুনে ‘বাংলা কিউআর’ চালুর আল্টিমেটাম, না করলে জরিমানা পাবনা জেলা ফরিদপুর উপজেলায় নিয়মিত সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় সেবাগ্রহীতাগণদের চরম ভোগান্তি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পর্তুগালে নাগরিকত্ব এখন আরও কঠিন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

দ্বিতীয়বারের মতো পর্তুগালের পার্লামেন্টে পাস হলো নতুন নাগরিকত্ব আইন। এর আগে গত বছর আইনটি পাস হলেও সাংবিধানিক আদালতের আপত্তিতে তা আটকে গিয়েছিল। এবার প্রেসিডেন্ট সই করলেই কার্যকর হবে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে ১০ বছর বসবাসের বাধ্যবাধকতা ও নানা কঠোর শর্ত। সরকারের এমন পদক্ষেপে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ লাখো অভিবাসী।

পর্তুগাল পার্লামেন্টের পহেলা এপ্রিলের অধিবেশনে নতুন নাগরিকত্ব আইনটি ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অধিবেশনে উপস্থিত ২১৬ জন এমপির মধ্যে ক্ষমতাসীন সোস্যাল ডেমোক্রেট, শেগা, ইনিশিয়েটিভ লিবারেল এবং সিডিএস-পিপির ১৫১ জন এমপি ভোট দেন নতুন আইনের পক্ষে।

সোস্যালিস্ট পার্টি, লিভরেসহ অন্যান্য ৬৫ জন এমপি আইনটির বিপক্ষে ভোট দিলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পার্লামেন্টে অনুমোদন পায় আইনটি।পার্লামেন্টে আইনটি পাস হবার পরপরই হতাশা লক্ষ্য করা যায় দেশটিতে বসবাসরত ও নাগরিকত্ব আবেদনের অপেক্ষায় থাকা লাখো অভিবাসীদের মধ্যে। এর আগে গত অক্টোবরে বিলটি পার্লামেন্টে পাস হলেও প্রেসিডেন্ট সেটি সই না করে সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়েছিলেন। এতে অভিবাসীদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এবার সেই আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে। 
  
অভিবাসন ইস্যুতে সরকারের একের পর এক নেতিবাচক পদক্ষেপে চিন্তার ভাঁজ পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও।
 বর্তমানে পর্তুগালে ৫ বছর বৈধভাবে বসবাসের পর নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে এই সময়সীমা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়াবে ১০ বছরে। পাশাপাশি নাগরিকত্বের জন্য পূরণ করতে হবে আরও কঠিন কিছু শর্ত।
 
এছাড়া নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত হলে বাতিলও হবে অভিবাসীদের জাতীয়তা। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনা জেলায় আজ শুরু হচ্ছে বইমেলা, উদ্বোধন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

পর্তুগালে নাগরিকত্ব এখন আরও কঠিন

আপডেট সময় ১২:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

দ্বিতীয়বারের মতো পর্তুগালের পার্লামেন্টে পাস হলো নতুন নাগরিকত্ব আইন। এর আগে গত বছর আইনটি পাস হলেও সাংবিধানিক আদালতের আপত্তিতে তা আটকে গিয়েছিল। এবার প্রেসিডেন্ট সই করলেই কার্যকর হবে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে ১০ বছর বসবাসের বাধ্যবাধকতা ও নানা কঠোর শর্ত। সরকারের এমন পদক্ষেপে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ লাখো অভিবাসী।

পর্তুগাল পার্লামেন্টের পহেলা এপ্রিলের অধিবেশনে নতুন নাগরিকত্ব আইনটি ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অধিবেশনে উপস্থিত ২১৬ জন এমপির মধ্যে ক্ষমতাসীন সোস্যাল ডেমোক্রেট, শেগা, ইনিশিয়েটিভ লিবারেল এবং সিডিএস-পিপির ১৫১ জন এমপি ভোট দেন নতুন আইনের পক্ষে।

সোস্যালিস্ট পার্টি, লিভরেসহ অন্যান্য ৬৫ জন এমপি আইনটির বিপক্ষে ভোট দিলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পার্লামেন্টে অনুমোদন পায় আইনটি।পার্লামেন্টে আইনটি পাস হবার পরপরই হতাশা লক্ষ্য করা যায় দেশটিতে বসবাসরত ও নাগরিকত্ব আবেদনের অপেক্ষায় থাকা লাখো অভিবাসীদের মধ্যে। এর আগে গত অক্টোবরে বিলটি পার্লামেন্টে পাস হলেও প্রেসিডেন্ট সেটি সই না করে সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়েছিলেন। এতে অভিবাসীদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এবার সেই আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে। 
  
অভিবাসন ইস্যুতে সরকারের একের পর এক নেতিবাচক পদক্ষেপে চিন্তার ভাঁজ পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও।
 বর্তমানে পর্তুগালে ৫ বছর বৈধভাবে বসবাসের পর নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে এই সময়সীমা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়াবে ১০ বছরে। পাশাপাশি নাগরিকত্বের জন্য পূরণ করতে হবে আরও কঠিন কিছু শর্ত।
 
এছাড়া নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত হলে বাতিলও হবে অভিবাসীদের জাতীয়তা।