ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় বলেছেন জামায়াত আমির সরকার সার সংকটের অভিযোগ এড়াতে চাইছে বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ ইসলাম এক স্থানে ডিলার পয়েন্ট, অন্য স্থানে গুদাম: পীরগঞ্জে সার কিনতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে কৃষকরা কেরানীগঞ্জে ৬০ পুরিয়া হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার সীমান্তে বিজিবির কঠোর অভিযান: উদ্ধার ৫ হাজার পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টর যুব উন্নয়ন ও মানবিক সেবায় পূর্বধলায় স্বর্ণ সুধা যুব উন্নয়ন সমিতি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে গুজিখার কেরামতিয়া মসজিদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত নেপালে ত্রাণ-উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পর্তুগালে নাগরিকত্ব এখন আরও কঠিন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

দ্বিতীয়বারের মতো পর্তুগালের পার্লামেন্টে পাস হলো নতুন নাগরিকত্ব আইন। এর আগে গত বছর আইনটি পাস হলেও সাংবিধানিক আদালতের আপত্তিতে তা আটকে গিয়েছিল। এবার প্রেসিডেন্ট সই করলেই কার্যকর হবে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে ১০ বছর বসবাসের বাধ্যবাধকতা ও নানা কঠোর শর্ত। সরকারের এমন পদক্ষেপে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ লাখো অভিবাসী।

পর্তুগাল পার্লামেন্টের পহেলা এপ্রিলের অধিবেশনে নতুন নাগরিকত্ব আইনটি ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অধিবেশনে উপস্থিত ২১৬ জন এমপির মধ্যে ক্ষমতাসীন সোস্যাল ডেমোক্রেট, শেগা, ইনিশিয়েটিভ লিবারেল এবং সিডিএস-পিপির ১৫১ জন এমপি ভোট দেন নতুন আইনের পক্ষে।

সোস্যালিস্ট পার্টি, লিভরেসহ অন্যান্য ৬৫ জন এমপি আইনটির বিপক্ষে ভোট দিলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পার্লামেন্টে অনুমোদন পায় আইনটি।পার্লামেন্টে আইনটি পাস হবার পরপরই হতাশা লক্ষ্য করা যায় দেশটিতে বসবাসরত ও নাগরিকত্ব আবেদনের অপেক্ষায় থাকা লাখো অভিবাসীদের মধ্যে। এর আগে গত অক্টোবরে বিলটি পার্লামেন্টে পাস হলেও প্রেসিডেন্ট সেটি সই না করে সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়েছিলেন। এতে অভিবাসীদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এবার সেই আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে। 
  
অভিবাসন ইস্যুতে সরকারের একের পর এক নেতিবাচক পদক্ষেপে চিন্তার ভাঁজ পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও।
 বর্তমানে পর্তুগালে ৫ বছর বৈধভাবে বসবাসের পর নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে এই সময়সীমা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়াবে ১০ বছরে। পাশাপাশি নাগরিকত্বের জন্য পূরণ করতে হবে আরও কঠিন কিছু শর্ত।
 
এছাড়া নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত হলে বাতিলও হবে অভিবাসীদের জাতীয়তা। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় বলেছেন জামায়াত আমির

পর্তুগালে নাগরিকত্ব এখন আরও কঠিন

আপডেট সময় ১২:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

দ্বিতীয়বারের মতো পর্তুগালের পার্লামেন্টে পাস হলো নতুন নাগরিকত্ব আইন। এর আগে গত বছর আইনটি পাস হলেও সাংবিধানিক আদালতের আপত্তিতে তা আটকে গিয়েছিল। এবার প্রেসিডেন্ট সই করলেই কার্যকর হবে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে ১০ বছর বসবাসের বাধ্যবাধকতা ও নানা কঠোর শর্ত। সরকারের এমন পদক্ষেপে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ লাখো অভিবাসী।

পর্তুগাল পার্লামেন্টের পহেলা এপ্রিলের অধিবেশনে নতুন নাগরিকত্ব আইনটি ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অধিবেশনে উপস্থিত ২১৬ জন এমপির মধ্যে ক্ষমতাসীন সোস্যাল ডেমোক্রেট, শেগা, ইনিশিয়েটিভ লিবারেল এবং সিডিএস-পিপির ১৫১ জন এমপি ভোট দেন নতুন আইনের পক্ষে।

সোস্যালিস্ট পার্টি, লিভরেসহ অন্যান্য ৬৫ জন এমপি আইনটির বিপক্ষে ভোট দিলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পার্লামেন্টে অনুমোদন পায় আইনটি।পার্লামেন্টে আইনটি পাস হবার পরপরই হতাশা লক্ষ্য করা যায় দেশটিতে বসবাসরত ও নাগরিকত্ব আবেদনের অপেক্ষায় থাকা লাখো অভিবাসীদের মধ্যে। এর আগে গত অক্টোবরে বিলটি পার্লামেন্টে পাস হলেও প্রেসিডেন্ট সেটি সই না করে সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়েছিলেন। এতে অভিবাসীদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এবার সেই আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে। 
  
অভিবাসন ইস্যুতে সরকারের একের পর এক নেতিবাচক পদক্ষেপে চিন্তার ভাঁজ পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও।
 বর্তমানে পর্তুগালে ৫ বছর বৈধভাবে বসবাসের পর নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে এই সময়সীমা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়াবে ১০ বছরে। পাশাপাশি নাগরিকত্বের জন্য পূরণ করতে হবে আরও কঠিন কিছু শর্ত।
 
এছাড়া নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত হলে বাতিলও হবে অভিবাসীদের জাতীয়তা।