ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​আইনি সংস্কারের পথে বড় পদক্ষেপ: সংসদে পাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ বিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি তামিমকে অভিনন্দন জানালেন শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে, ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন হচ্ছে পরিকল্পনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ২৮৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ৩ মে নয়, সারাদেশে হামের টিকা শুরু ২০ এপ্রিল ২১ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নীরবতা: নিজ দেশেই তোপের মুখে নেতানিয়াহু মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা: হজে না যাওয়ার পরামর্শ দূতাবাসের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার অবসান: উন্মুক্ত হচ্ছে হরমুজ, কমছে তেলের দাম ধর্ষণেরস্বীকার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তরুণী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নীরবতা: নিজ দেশেই তোপের মুখে নেতানিয়াহু

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের রহস্যময় নীরবতায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছেন দেশটির এক প্রবীণ সাংবাদিক। 

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) তেহরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরায়েলি চ্যানেল ১২-এর সামরিক প্রতিবেদক নিৎসান শাপিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন।

নিৎসান শাপিরা তার পোস্টে নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, কোনো ইসরায়েলি কর্মকর্তা বা নির্ভরযোগ্য সূত্র কি আজ রাতে দেশটির সাধারণ জনগণের সঙ্গে এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলবেন? তারা কি কিছু লিখবেন বা কোনো নতুন তথ্য প্রদান করবেন? নাকি আমাদের এখনো ইরানি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ এবং পাকিস্তান সরকারের মুখপাত্রের দেওয়া বিবৃতির মাধ্যমেই পরিস্থিতির উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ করতে হবে?

এদিকে বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তিনি ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবকে পরবর্তী আলোচনার ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতে সম্মত হয়েছেন।

ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্কে এক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি ইরানের পক্ষ থেকে ১০ দফার একটি প্রস্তাব পেয়েছেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন এটি আলোচনার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হতে পারে। ট্রাম্পের এই নমনীয় অবস্থান এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি দেওয়ার বিষয়টি ইসরায়েলের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা, যা দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের এই নীরবতার একটি অন্যতম কারণ হতে পারে।

সারাদেশ ও আন্তর্জাতিক মহলে যখন এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে, তখন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের এই নির্লিপ্ততা দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। একদিকে ট্রাম্প ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার পথে হাঁটা, অন্যদিকে হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘাতের মাঝে এই যুদ্ধবিরতির সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে ইসরায়েল এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান পরিষ্কার করেনি।

১০ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনার আগে ইসরায়েলি সরকার তাদের জনগণকে কী বার্তা দেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। সাংবাদিক নিৎসান শাপিরার এই প্রতিবাদ মূলত একটি বৃহত্তর জনঅসন্তোষের প্রতিফলন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​আইনি সংস্কারের পথে বড় পদক্ষেপ: সংসদে পাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ বিল

যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নীরবতা: নিজ দেশেই তোপের মুখে নেতানিয়াহু

আপডেট সময় ১২:২৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের রহস্যময় নীরবতায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছেন দেশটির এক প্রবীণ সাংবাদিক। 

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) তেহরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরায়েলি চ্যানেল ১২-এর সামরিক প্রতিবেদক নিৎসান শাপিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন।

নিৎসান শাপিরা তার পোস্টে নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, কোনো ইসরায়েলি কর্মকর্তা বা নির্ভরযোগ্য সূত্র কি আজ রাতে দেশটির সাধারণ জনগণের সঙ্গে এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলবেন? তারা কি কিছু লিখবেন বা কোনো নতুন তথ্য প্রদান করবেন? নাকি আমাদের এখনো ইরানি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ এবং পাকিস্তান সরকারের মুখপাত্রের দেওয়া বিবৃতির মাধ্যমেই পরিস্থিতির উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ করতে হবে?

এদিকে বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তিনি ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবকে পরবর্তী আলোচনার ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতে সম্মত হয়েছেন।

ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্কে এক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি ইরানের পক্ষ থেকে ১০ দফার একটি প্রস্তাব পেয়েছেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন এটি আলোচনার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হতে পারে। ট্রাম্পের এই নমনীয় অবস্থান এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি দেওয়ার বিষয়টি ইসরায়েলের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা, যা দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের এই নীরবতার একটি অন্যতম কারণ হতে পারে।

সারাদেশ ও আন্তর্জাতিক মহলে যখন এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে, তখন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের এই নির্লিপ্ততা দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। একদিকে ট্রাম্প ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার পথে হাঁটা, অন্যদিকে হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘাতের মাঝে এই যুদ্ধবিরতির সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে ইসরায়েল এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান পরিষ্কার করেনি।

১০ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনার আগে ইসরায়েলি সরকার তাদের জনগণকে কী বার্তা দেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। সাংবাদিক নিৎসান শাপিরার এই প্রতিবাদ মূলত একটি বৃহত্তর জনঅসন্তোষের প্রতিফলন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।