শেরপুরের নকলা উপজেলার খিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি লোহার বেঞ্চ এক কৃষকের গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হীরা মিয়া বেঞ্চগুলো গোয়ালঘরে রাখার বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে দাবি করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গত রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকাবাসী বিদ্যালয়সংলগ্ন কৃষক আবু মিয়ার বাড়িতে যান। এ সময় গোয়ালঘরে লাকড়িভর্তি বস্তার নিচে রাখা অবস্থায় বিদ্যালয়ের তিনটি লোহার বেঞ্চ দেখতে পান তারা। পরে প্রধান শিক্ষক হীরা মিয়ার উপস্থিতিতে গোয়ালঘর থেকে বেঞ্চগুলো বের করে আনা হয়।
এর আগে বিদ্যালয়ের কোনো আসবাব বাইরে রাখা আছে কি না, জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক হীরা মিয়া তা অস্বীকার করেন। পরে তার উপস্থিতিতেই প্রতিবেশী আবু মিয়ার গোয়ালঘর থেকে বিদ্যালয়ের বেঞ্চগুলো পাওয়া যায়।
কৃষক আবু মিয়ার পরিবারের দাবি, প্রধান শিক্ষক হীরা মিয়া নিজেই বেঞ্চগুলো তাদের বাড়িতে রেখে গেছেন। তাদের দাবি, বিষয়টি প্রধান শিক্ষকের জানাজানিতেই হয়েছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক হীরা মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম না সেগুলো আমাদের স্কুলের বেঞ্চ। আমি কাউকে বেঞ্চ দিইনি এবং নেওয়ার অনুমতিও দিইনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।’
নকলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম রব্বানী বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তাওহিদুজ্জামান (রোমান), শেরপুর জেলা প্রতিনিধি 








