ময়মনসিংহ , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: অবিলম্বে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের দাম বাড়ল জ্বালানি তেলের তেল নিতে পকেটে লাগবে বাড়তি টাকা, নতুন দর কার্যকর আজ থেকে ​তিন দশক পর অনুশোচনা: সহকর্মীকে চড় মারার ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন রিমা খান জয় ও পলকের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন বিটিসিএল কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান: কড়া অবস্থান তেহরানের নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুই দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত “চেষ্টা “র উদ্যোগে বীরকন্যাদের সম্মাননায় মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ট্রেবল মেডেল নিলামে তুলছেন ম্যানচেস্টার সিটির খেলোয়াড় কাল বগুড়া সিটি কর্পোরেশন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জুনে ‘বাংলা কিউআর’ চালুর আল্টিমেটাম, না করলে জরিমানা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে ফেলতে হবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সব মার্চেন্ট পয়েন্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

এই নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ও অপারেটরদের (পিএসও) জন্যও এই একই নিয়ম কার্যকর হবে।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, নতুন এই নিয়ম মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক।

দোষী প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা জরিমানা এবং দায়ীদের তিন বছরের জেল বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি মার্চেন্ট পয়েন্টে (দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান) স্পষ্টভাবে ‘বাংলা কিউআর’ প্রদর্শন করতে হবে। ব্যাংক ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সমন্বয় ও ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত মার্চেন্ট পয়েন্ট তদারকি করতে হবে। যদি কোনো মার্চেন্ট পেমেন্টের বদলে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করে ক্যাশ-আউট সুবিধা দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কিউআর সুবিধা বাতিল করতে হবে।

গ্রাহক ও বিক্রেতাদের মাঝে বাংলা কিউআর সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তুলতেই ‘বাংলা কিউআর’ আনা হয়েছে।

এর ফলে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট একটি অ্যাপের ওপর নির্ভর না থেকে যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে একটি মাত্র কিউআর কোডের মাধ্যমেই পেমেন্ট করতে পারবেন।

২০২৩ সালে এই ইন্টারঅপারেবল সিস্টেম চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৭ সালের মধ্যে মোট লেনদেনের ৭৫ শতাংশ ক্যাশলেস বা নগদহীন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের ক্ষেত্রে কিউআর পেমেন্ট সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তেলের মূল্যবৃদ্ধি: অবিলম্বে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

জুনে ‘বাংলা কিউআর’ চালুর আল্টিমেটাম, না করলে জরিমানা

আপডেট সময় ০১:০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে ফেলতে হবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সব মার্চেন্ট পয়েন্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

এই নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ও অপারেটরদের (পিএসও) জন্যও এই একই নিয়ম কার্যকর হবে।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, নতুন এই নিয়ম মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক।

দোষী প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা জরিমানা এবং দায়ীদের তিন বছরের জেল বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি মার্চেন্ট পয়েন্টে (দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান) স্পষ্টভাবে ‘বাংলা কিউআর’ প্রদর্শন করতে হবে। ব্যাংক ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সমন্বয় ও ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত মার্চেন্ট পয়েন্ট তদারকি করতে হবে। যদি কোনো মার্চেন্ট পেমেন্টের বদলে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করে ক্যাশ-আউট সুবিধা দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কিউআর সুবিধা বাতিল করতে হবে।

গ্রাহক ও বিক্রেতাদের মাঝে বাংলা কিউআর সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তুলতেই ‘বাংলা কিউআর’ আনা হয়েছে।

এর ফলে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট একটি অ্যাপের ওপর নির্ভর না থেকে যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে একটি মাত্র কিউআর কোডের মাধ্যমেই পেমেন্ট করতে পারবেন।

২০২৩ সালে এই ইন্টারঅপারেবল সিস্টেম চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৭ সালের মধ্যে মোট লেনদেনের ৭৫ শতাংশ ক্যাশলেস বা নগদহীন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের ক্ষেত্রে কিউআর পেমেন্ট সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।