ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য পূর্বধলায় কৃষি প্রণোদনা তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ঘাগড়া চৌরাস্তায় সংবাদ সম্মেলন ​লোহালিয়া নদীর ওপর ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের চুক্তি রামিসা হত্যা মামলা: বিচার চেয়ে রোববার শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল ​আসছে নবম পে-স্কেল: ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো ​হঠাৎ জার্সি বদলের চাপে হাইতি: ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই সংকটে দলটি গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জনসহ দগ্ধ, ৫ ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতির প্রত্যাশা পূরণের লক্ষেই এবারের বাজেট প্রণয়ন জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি পাবনার উদ্যোগে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার জনসভার কড়া ভাষা ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য কমিয়ে আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ সরাসরি ওয়াশিংটনের কাছে বার্তা পাঠিয়ে ট্রাম্পকে জনসমক্ষে কঠোর ভাষা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে। পাকিস্তানের আশঙ্কা, ট্রাম্পের এ ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য আগামীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনার সুষ্ঠু পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে পারে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, পাকিস্তান আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবারের মধ্যে ইরানি প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে। বর্তমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি কার্যকরী সংলাপ শুরু করতে ইসলামাবাদ সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ কারণেই ইসলামাবাদ অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে হোয়াইট হাউসকে শান্তি আলোচনার স্বার্থে সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। পাকিস্তান মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই মুহূর্তে উসকানিমূলক বক্তব্যের চেয়ে কূটনৈতিক শিষ্টাচার অনেক বেশি প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য ইতিমধ্যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতা যদি সফল হয়, তবে তা বৈশ্বিক রাজনীতির ইতিহাসে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে সব কিছুই এখন নির্ভর করছে দুই দেশের প্রতিনিধিদের নমনীয়তা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ধৈর্যশীল আচরণের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা

আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার জনসভার কড়া ভাষা ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য কমিয়ে আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ সরাসরি ওয়াশিংটনের কাছে বার্তা পাঠিয়ে ট্রাম্পকে জনসমক্ষে কঠোর ভাষা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে। পাকিস্তানের আশঙ্কা, ট্রাম্পের এ ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য আগামীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনার সুষ্ঠু পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে পারে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, পাকিস্তান আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবারের মধ্যে ইরানি প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে। বর্তমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি কার্যকরী সংলাপ শুরু করতে ইসলামাবাদ সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ কারণেই ইসলামাবাদ অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে হোয়াইট হাউসকে শান্তি আলোচনার স্বার্থে সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। পাকিস্তান মনে করে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই মুহূর্তে উসকানিমূলক বক্তব্যের চেয়ে কূটনৈতিক শিষ্টাচার অনেক বেশি প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য ইতিমধ্যে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

পাকিস্তানের এই মধ্যস্থতা যদি সফল হয়, তবে তা বৈশ্বিক রাজনীতির ইতিহাসে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে সব কিছুই এখন নির্ভর করছে দুই দেশের প্রতিনিধিদের নমনীয়তা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ধৈর্যশীল আচরণের ওপর।