ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আইনজীবী সনদ হারালেন আলোচিত মাসদার হোসেন স্কুল ছুটি, টয়লেটে আটকা তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেরপুর প্রধানমন্ত্রী আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম পরে বলেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া রাজধানীতে আজ বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: ‘জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়’—দলীয় নেতাদের দাবি ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর বড় হামলা: ২৪ ঘণ্টায় ৩৬টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন অসহায় মুহূর্তে যারা ছায়া হয়ে ছিলেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার সচল আছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

তারেক রহমান বাবার পদচিহ্ন ধরে হাঁটলেন

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৯:৩৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

বাবার দেখানো পথে হাঁটলেন পুত্র তারেক রহমান। নির্বাচনি ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখননের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। সেই ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল সোমবার থেকেই শুরু হলো এই মহা কর্মযজ্ঞ।

সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী এলাকায় বেতনা নদী পুনঃখননের মাধ্যমে একই ধরনের কর্মসূচির সূচনা করেন। গ্রামীণ কৃষি উন্নয়নে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তিনি। দেশে কৃষি সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিল তার সেই উদ্যোগ।

জিয়াউর রহমানের সময় এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ৬৭৫.১৮ মাইল দীর্ঘ ১৯৩টি খাল খনন ও পুনঃখনন করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দেশ গড়ার কাজে নেমে পড়েছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আয়েশি জীবন রেখে কৃষক-শ্রমিকের সঙ্গে কোদাল-কাস্তে নিয়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছোটেন জিয়া।

জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে দিনাজপুরে যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন তার প্রায় পাঁচ দশক পর সেই ধারাবাহিকতায় সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের কাজের উদ্বোধন করলেন তার ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে দেশ জুড়ে উদ্বোধন করেছেন এই কর্মসূচি। সে সময় ‘খাল খনন’ প্রকল্প ছিল শহিদ জিয়ার একটি জাতীয় আন্দোলন। বর্ষার পানি ধরে রাখা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নৌযোগাযোগ ফিরিয়ে আনা—সবকিছুর কেন্দ্রে ছিল এই উদ্যোগ। এতে গ্রামবাংলার ছোট-বড় খালগুলো ফিরে পেয়েছিল জীবনস্রোত।

সাহাপাড়া খালের দৈর্ঘ্য ১২.২ কিলোমিটার এবং এটি পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত। খালটি পুনঃখনন হলে এলাকার সেচব্যবস্থা উন্নত হবে এবং জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনের আগে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে এলাকার সাধারণ মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং মানুষ প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইনজীবী সনদ হারালেন আলোচিত মাসদার হোসেন

তারেক রহমান বাবার পদচিহ্ন ধরে হাঁটলেন

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

বাবার দেখানো পথে হাঁটলেন পুত্র তারেক রহমান। নির্বাচনি ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখননের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। সেই ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল সোমবার থেকেই শুরু হলো এই মহা কর্মযজ্ঞ।

সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী এলাকায় বেতনা নদী পুনঃখননের মাধ্যমে একই ধরনের কর্মসূচির সূচনা করেন। গ্রামীণ কৃষি উন্নয়নে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তিনি। দেশে কৃষি সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিল তার সেই উদ্যোগ।

জিয়াউর রহমানের সময় এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ৬৭৫.১৮ মাইল দীর্ঘ ১৯৩টি খাল খনন ও পুনঃখনন করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দেশ গড়ার কাজে নেমে পড়েছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আয়েশি জীবন রেখে কৃষক-শ্রমিকের সঙ্গে কোদাল-কাস্তে নিয়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছোটেন জিয়া।

জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে দিনাজপুরে যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন তার প্রায় পাঁচ দশক পর সেই ধারাবাহিকতায় সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের কাজের উদ্বোধন করলেন তার ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে দেশ জুড়ে উদ্বোধন করেছেন এই কর্মসূচি। সে সময় ‘খাল খনন’ প্রকল্প ছিল শহিদ জিয়ার একটি জাতীয় আন্দোলন। বর্ষার পানি ধরে রাখা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নৌযোগাযোগ ফিরিয়ে আনা—সবকিছুর কেন্দ্রে ছিল এই উদ্যোগ। এতে গ্রামবাংলার ছোট-বড় খালগুলো ফিরে পেয়েছিল জীবনস্রোত।

সাহাপাড়া খালের দৈর্ঘ্য ১২.২ কিলোমিটার এবং এটি পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত। খালটি পুনঃখনন হলে এলাকার সেচব্যবস্থা উন্নত হবে এবং জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনের আগে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচিতে এলাকার সাধারণ মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং মানুষ প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন।