ময়মনসিংহ , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: অবিলম্বে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের দাম বাড়ল জ্বালানি তেলের তেল নিতে পকেটে লাগবে বাড়তি টাকা, নতুন দর কার্যকর আজ থেকে ​তিন দশক পর অনুশোচনা: সহকর্মীকে চড় মারার ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন রিমা খান জয় ও পলকের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন বিটিসিএল কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান: কড়া অবস্থান তেহরানের নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুই দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত “চেষ্টা “র উদ্যোগে বীরকন্যাদের সম্মাননায় মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ট্রেবল মেডেল নিলামে তুলছেন ম্যানচেস্টার সিটির খেলোয়াড় কাল বগুড়া সিটি কর্পোরেশন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আজ: অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার প্রত্যয়

“অটিজম ও মানবতা–প্রতিটি জীবনেরই মূল্য আছে”– এই বিশেষ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার দেশে পালিত হচ্ছে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে সারা দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

​স্নায়ুবৈচিত্র্যের অগ্রগতি ও অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের মেধা-মনন বিকাশের মাধ্যমে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) অর্জনের পথ সুগম করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়েছে নানা কর্মসূচি।

সচেতনতা ও অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব

​দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান ভ্রান্ত ধারণা দূর করা এবং অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অটিজম কোনো রোগ নয়, বরং এটি একটি বিশেষ অবস্থা। সঠিক পরিচর্যা ও সুযোগ পেলে এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরাও সমাজের সম্পদে পরিণত হতে পারে।

​দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি

​দিবসটি উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো ব্যাপক সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় র‍্যালি, আলোচনা সভা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগগুলো কেবল সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই নয়, বরং অটিজম আক্রান্ত শিশুদের একে অপরের সঙ্গে মেলামেশা এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের পথ প্রশস্ত করছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও স্থাপনাগুলোতে নীল বাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে দিবসটির সংহতি প্রকাশ করা হচ্ছে।

​পটভূমি

​উল্লেখ্য, অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নের গুরুত্ব বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে ২০০৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী নিরবচ্ছিন্নভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

​রাষ্ট্রীয়ভাবে আজকের এই আয়োজনের মাধ্যমে অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি সহমর্মী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

​আপনার এই রিপোর্টটির জন্য কি কোনো শিরোনাম বা উপ-শিরোনামে পরিবর্তন প্রয়োজন? জানালে আমি সংশোধন করে দিতে পারি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তেলের মূল্যবৃদ্ধি: অবিলম্বে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আজ: অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার প্রত্যয়

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

“অটিজম ও মানবতা–প্রতিটি জীবনেরই মূল্য আছে”– এই বিশেষ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার দেশে পালিত হচ্ছে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে সারা দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

​স্নায়ুবৈচিত্র্যের অগ্রগতি ও অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের মেধা-মনন বিকাশের মাধ্যমে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) অর্জনের পথ সুগম করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়েছে নানা কর্মসূচি।

সচেতনতা ও অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব

​দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান ভ্রান্ত ধারণা দূর করা এবং অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অটিজম কোনো রোগ নয়, বরং এটি একটি বিশেষ অবস্থা। সঠিক পরিচর্যা ও সুযোগ পেলে এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরাও সমাজের সম্পদে পরিণত হতে পারে।

​দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি

​দিবসটি উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো ব্যাপক সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় র‍্যালি, আলোচনা সভা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগগুলো কেবল সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই নয়, বরং অটিজম আক্রান্ত শিশুদের একে অপরের সঙ্গে মেলামেশা এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের পথ প্রশস্ত করছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও স্থাপনাগুলোতে নীল বাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে দিবসটির সংহতি প্রকাশ করা হচ্ছে।

​পটভূমি

​উল্লেখ্য, অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নের গুরুত্ব বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে ২০০৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী নিরবচ্ছিন্নভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

​রাষ্ট্রীয়ভাবে আজকের এই আয়োজনের মাধ্যমে অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি সহমর্মী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

​আপনার এই রিপোর্টটির জন্য কি কোনো শিরোনাম বা উপ-শিরোনামে পরিবর্তন প্রয়োজন? জানালে আমি সংশোধন করে দিতে পারি।