ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যুদ্ধ নয়, কেবল ‘সতর্কবার্তা’? ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটাতে ইরানের ওপর পুনরায় সীমিত আকারে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের পাশাপাশি এই বিমান হামলাকে আলোচনার টেবিলে তেহরানকে নমনীয় করার অন্যতম কৌশল হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের সামনে পূর্ণমাত্রায় বোমাবর্ষণ শুরু করার মতো বিকল্পও রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদী সামরিক যুদ্ধে জড়ানোর প্রতি প্রেসিডেন্টের অনীহার কারণে বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা আপাতত কম বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প রোববারের বেশিরভাগ সময় মিয়ামিতে তার নিজস্ব রিসোর্টে কাটিয়েছেন। সেখানে তিনি ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেন, গলফ খেলেন এবং তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সাথে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ট্রাম্পের সহযোগীরা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এখনো একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রেখেছেন। তবে একই সাথে তিনি হরমুজ প্রণালি অবরোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার নতুন হুমকি দিয়েছেন। সামরিক ও কূটনৈতিক এই দ্বিমুখী চাপের মাধ্যমে তেহরানকে একটি ‘চূড়ান্ত চুক্তিতে’ সই করতে বাধ্য করাই এখন ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।

হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র ট্রাম্পের বিবেচনাধীন এসব সুনির্দিষ্ট সামরিক বিকল্প নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ট্রাম্পের এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে।

বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন কঠোর অবস্থান শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সামরিক হামলার নির্দেশ দেন নাকি নতুন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যুদ্ধ নয়, কেবল ‘সতর্কবার্তা’? ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

আপডেট সময় ১০:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটাতে ইরানের ওপর পুনরায় সীমিত আকারে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের পাশাপাশি এই বিমান হামলাকে আলোচনার টেবিলে তেহরানকে নমনীয় করার অন্যতম কৌশল হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের সামনে পূর্ণমাত্রায় বোমাবর্ষণ শুরু করার মতো বিকল্পও রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদী সামরিক যুদ্ধে জড়ানোর প্রতি প্রেসিডেন্টের অনীহার কারণে বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা আপাতত কম বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প রোববারের বেশিরভাগ সময় মিয়ামিতে তার নিজস্ব রিসোর্টে কাটিয়েছেন। সেখানে তিনি ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেন, গলফ খেলেন এবং তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সাথে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ট্রাম্পের সহযোগীরা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এখনো একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রেখেছেন। তবে একই সাথে তিনি হরমুজ প্রণালি অবরোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার নতুন হুমকি দিয়েছেন। সামরিক ও কূটনৈতিক এই দ্বিমুখী চাপের মাধ্যমে তেহরানকে একটি ‘চূড়ান্ত চুক্তিতে’ সই করতে বাধ্য করাই এখন ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।

হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র ট্রাম্পের বিবেচনাধীন এসব সুনির্দিষ্ট সামরিক বিকল্প নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ট্রাম্পের এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে।

বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন কঠোর অবস্থান শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সামরিক হামলার নির্দেশ দেন নাকি নতুন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করেন।