প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, গ্যাসের সরবরাহ পূর্ণমাত্রায় এখনও স্বাভাবিক হয়নি। তিনি বলেছেন, গ্যাসের কার্গো সরবরাহে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে, তবে তা দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে। জ্বালানি খাতে ভালো অবস্থায় যেতে সরকারের প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।
তিনি বলেন, দুই বছরের মত ইন্টেরিম সরকার ছিল, তারাও ক স্থলভাগের গ্যাস খোঁজার চেষ্টা করেনি। তাদের সৌভাগ্য তখন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ হয়নি।
তিনি বলেন, জ্বালানিতে যথেষ্ট ভালো অবস্থায় যেতে দুই বছরের মতো সময় লাগবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, বাকি সময়ে দেশের অবস্থা আগের সময়ের চেয়ে খারাপ থাকবে। আগের চেয়ে খারাপ অবস্থায় থাকব না।
গ্যাস সংকটের কারণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, মোটা দাগে ব্যবস্থাপনায় কিছুটা অদক্ষতা থাকতে পারে। তবে যুদ্ধই বড় সমস্যা।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দুই বছরে স্থলভাগে গ্যাস খোঁজার চেষ্টা হয়নি। সৌভাগ্যজনকভাবে ওই সময়ে তাদের মধ্যপ্রাচ্য সংকটে পড়তে হয়নি।
জ্বালানি সংকট থেকে দ্রুত বের হতে পারলে দেশে নতুন নতুন বিনিয়োগ আসবে এবং বন্ধ কারখানাগুলো চালু হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে সিপিডির প্রতিবেদন সরকারের পক্ষ থেকে যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানান।
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের তুলনায় বর্তমানে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের চর্চা বাড়ানো ও তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতো আগ্রহী ও মনোযোগী প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ কখনও পেয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
তিনি বলেন, যতটুকু হয়েছে, আশা করি তা দ্রুত ঠিক করতে পারব।
এদিকে গত ছয় মাসে সরকারের বিরুদ্ধে প্রায় ৪৬৪টি বড় অপতথ্য প্রচার করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা। এসব অপতথ্য মোকাবিলায় আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হয়েছে এবং আইনিভাবে এগুলো মোকাবিলা করা হবে বলে জানান তিনি।
দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করাই সবচেয়ে ভালো হবে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়েছে। এরপরও যদি আরও ক্লারিফিকেশন প্রয়োজন হয়, তাহলে খোঁজ নিয়ে জানানো যেতে পারে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 





















