ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বান্দরবানের লামা উপজেলার ২ নং লামা সদর ইউনিয়নে অতিবর্ষণ ও পাহাড় ধসে পানিবন্দী হয়ে পড়া অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে মিত্রদের সঙ্গে আজ প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ: দূরত্ব কমিয়ে সম্পর্ক ঝালাইয়ের লক্ষ্য জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী পূর্বধলায় রাতে হামিদ মিয়া নিখোঁজ, ভোরে পুকুরে মিলল মরদেহ ময়মনসিংহের গৌরীপুরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনি সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত সারাদেশে টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির শঙ্কা রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ​ইউরো জয়: স্পেনের সাফল্যে উদযাপনে শাকিব-বুবলী-অপু ​আইএলও মহাপরিচালকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল রুট: মাত্র পাঁচ দিনে প্রায় ১ কোটি টাকা লোকসান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল রুট: মাত্র পাঁচ দিনে প্রায় ১ কোটি টাকা লোকসান

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যায় রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় টানা পাঁচ দিন ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, শুধু টিকিটের মূল্য বাবদই যাত্রীদের প্রায় ৮৮ লাখ টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। এ সময় ১১ হাজারের বেশি টিকিট বাতিল করা হয়। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পরবর্তী কয়েক দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রিও ব্যাহত হয়েছে।

টিকিট ফেরতের তাৎক্ষণিক ক্ষতির পাশাপাশি ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ওই সময়ে নতুন করে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ফলে পরবর্তী দিনগুলোতেও এই রুটে প্রত্যাশিত সংখ্যক যাত্রী পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনেক যাত্রী কক্সবাজার ভ্রমণ বাতিল করায় পরোক্ষভাবে অন্যান্য দূরপাল্লার রুটেও যাত্রীসংখ্যা কমেছে।

তিনি জানান, টানা তিন দিন রেললাইন পানির নিচে থাকায় পানি নেমে যাওয়ার পরও নিরাপত্তার স্বার্থে লাইন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করতে কিছুটা সময় লাগে। পরে ১২ জুলাই ‘অ্যাডভান্সড পাইলটিং’ বা সীমিত গতিতে এ রুটে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই পাঁচ দিনের মধ্যে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন থাকায় পরিচালনাগত ক্ষতি কিছুটা কম হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এই গুরুত্বপূর্ণ রুটে বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ অংশে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল)-এর মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বলেন, অতিবৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন দুই ফুট পানিতে তলিয়ে গেলেও অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ সময় ঢাকা–কক্সবাজার রুটের দুই জোড়া ট্রেন শুধু ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বান্দরবানের লামা উপজেলার ২ নং লামা সদর ইউনিয়নে অতিবর্ষণ ও পাহাড় ধসে পানিবন্দী হয়ে পড়া অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল রুট: মাত্র পাঁচ দিনে প্রায় ১ কোটি টাকা লোকসান

আপডেট সময় ১২:৩১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যায় রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় টানা পাঁচ দিন ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, শুধু টিকিটের মূল্য বাবদই যাত্রীদের প্রায় ৮৮ লাখ টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। এ সময় ১১ হাজারের বেশি টিকিট বাতিল করা হয়। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পরবর্তী কয়েক দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রিও ব্যাহত হয়েছে।

টিকিট ফেরতের তাৎক্ষণিক ক্ষতির পাশাপাশি ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ওই সময়ে নতুন করে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ফলে পরবর্তী দিনগুলোতেও এই রুটে প্রত্যাশিত সংখ্যক যাত্রী পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনেক যাত্রী কক্সবাজার ভ্রমণ বাতিল করায় পরোক্ষভাবে অন্যান্য দূরপাল্লার রুটেও যাত্রীসংখ্যা কমেছে।

তিনি জানান, টানা তিন দিন রেললাইন পানির নিচে থাকায় পানি নেমে যাওয়ার পরও নিরাপত্তার স্বার্থে লাইন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করতে কিছুটা সময় লাগে। পরে ১২ জুলাই ‘অ্যাডভান্সড পাইলটিং’ বা সীমিত গতিতে এ রুটে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই পাঁচ দিনের মধ্যে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন থাকায় পরিচালনাগত ক্ষতি কিছুটা কম হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এই গুরুত্বপূর্ণ রুটে বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ অংশে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল)-এর মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বলেন, অতিবৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন দুই ফুট পানিতে তলিয়ে গেলেও অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ সময় ঢাকা–কক্সবাজার রুটের দুই জোড়া ট্রেন শুধু ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করেছে।