ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নালিতাবাড়ীতে মসজিদে ভাংচুর ও হামলা

খন্দকার আব্দুল আলীম জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর।শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মসজিদ ভাঙচুর এবং মুসল্লি ও ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে কতিপয় নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ১ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পোরাগাওঁ ইউনিয়নের বারোমারি বাজার এলাকার উত্তর বাতকুচি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন বাইতুল নূর জামে মসজিদে এঘটনা ঘটেছে।

২ নভেম্বর রোববার সকালে মসজিদ কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এমন ঘটনায় ওই এলাকায় নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর বাতকুচি গ্রামের জহুর উদ্দিনের তিন ছেলে ফরহাদ মিয়া, রুবেল মিয়া ও ফারুক মিয়া তিনজনই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করে ইমাম শফিকুল ইসলামের উদ্দেশ্যে বলেন, “আজ থেকে এই মসজিদে আর আযান দেওয়া যাবে না। আমাদের অনুমতি ছাড়া আর আযান হবে না।” এদিকে, ইমাম সাহেব এই এই কথার প্রতিবাদ করলে তারা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। আত্মরক্ষার্থে ইমাম পালিয়ে গেলে তারা মসজিদের ভেতরে ঢুকে মাইক সেট, বৈদ্যুতিক বোর্ড, টিনের বেড়া ও অন্যান্য জিনিসপত্র ভাংচুর করে। এ সময় হাবিবুর রহমান ও কাজল মিয়া নামে দুই মুসল্লি হামলাকারীদের বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকেও মারধর করে নেশাগ্রস্তরা। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানতে চাইলে মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আশরাফ আলী বলেন, “এই ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি এবং এ নিয়ে থানায় একটি লখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোহেল রানা সাংবাদিকদের বলেন, “মসজিদে ঢুকে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

নালিতাবাড়ীতে মসজিদে ভাংচুর ও হামলা

আপডেট সময় ০৯:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

খন্দকার আব্দুল আলীম জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর।শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মসজিদ ভাঙচুর এবং মুসল্লি ও ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে কতিপয় নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ১ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পোরাগাওঁ ইউনিয়নের বারোমারি বাজার এলাকার উত্তর বাতকুচি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন বাইতুল নূর জামে মসজিদে এঘটনা ঘটেছে।

২ নভেম্বর রোববার সকালে মসজিদ কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এমন ঘটনায় ওই এলাকায় নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর বাতকুচি গ্রামের জহুর উদ্দিনের তিন ছেলে ফরহাদ মিয়া, রুবেল মিয়া ও ফারুক মিয়া তিনজনই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করে ইমাম শফিকুল ইসলামের উদ্দেশ্যে বলেন, “আজ থেকে এই মসজিদে আর আযান দেওয়া যাবে না। আমাদের অনুমতি ছাড়া আর আযান হবে না।” এদিকে, ইমাম সাহেব এই এই কথার প্রতিবাদ করলে তারা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। আত্মরক্ষার্থে ইমাম পালিয়ে গেলে তারা মসজিদের ভেতরে ঢুকে মাইক সেট, বৈদ্যুতিক বোর্ড, টিনের বেড়া ও অন্যান্য জিনিসপত্র ভাংচুর করে। এ সময় হাবিবুর রহমান ও কাজল মিয়া নামে দুই মুসল্লি হামলাকারীদের বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকেও মারধর করে নেশাগ্রস্তরা। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানতে চাইলে মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আশরাফ আলী বলেন, “এই ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি এবং এ নিয়ে থানায় একটি লখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোহেল রানা সাংবাদিকদের বলেন, “মসজিদে ঢুকে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”