ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘বিমানবন্দরে আমার সঙ্গে সঠিক ব্যবহার করা হয়নি, প্রতিবাদ জানাতে তাৎক্ষণিক ফিরে এসেছি’:উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত মার্কিন বোমারু বিমান, প্রাণ হারালেন ৮ আরোহী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে কী : নেতানিয়াহু বেনজীরকে ধরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে এমপি বন্ধুর ‘শপিং মল ফাঁদ’ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর: লেনদেন থাকবে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক! পুশইনের শঙ্কায় ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ২১৫ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ময়মনসিংহের গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ২১৫ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায় এবং খেলাপি গ্রাহকদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকা গ্রাহকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পূর্বধলা জোনাল অফিসের আওতাধীন ঘাগড়া ইউনিয়নে পরিচালিত এ অভিযানে বকেয়া বিল পরিশোধে গ্রাহকদের যেমন উদ্বুদ্ধ করা হয়, তেমনি অনাদায়ী গ্রাহকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয় তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা।

​অভিযান চলাকালে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৭৪ জন গ্রাহক মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৮৭১ টাকা বকেয়া বিল পরিশোধ করেন। অন্যদিকে, বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও বকেয়া পরিশোধ না করায় ২১৫ জন গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এই বিচ্ছিন্নকৃত সংযোগগুলোর বিপরীতে বকেয়া বিলের পরিমাণ ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫৩ টাকা।

​এছাড়া অভিযান চলাকালে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩টি বিদ্যুৎ মিটার স্থায়ীভাবে অপসারণ (রিমুভ) করা হয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
​পূর্বধলা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. শাহিনুর আলম জানান, বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শতভাগ বকেয়া আদায় নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বিমানবন্দরে আমার সঙ্গে সঠিক ব্যবহার করা হয়নি, প্রতিবাদ জানাতে তাৎক্ষণিক ফিরে এসেছি’:উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ২১৫ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেট সময় ০৯:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায় এবং খেলাপি গ্রাহকদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকা গ্রাহকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পূর্বধলা জোনাল অফিসের আওতাধীন ঘাগড়া ইউনিয়নে পরিচালিত এ অভিযানে বকেয়া বিল পরিশোধে গ্রাহকদের যেমন উদ্বুদ্ধ করা হয়, তেমনি অনাদায়ী গ্রাহকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয় তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা।

​অভিযান চলাকালে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৭৪ জন গ্রাহক মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৮৭১ টাকা বকেয়া বিল পরিশোধ করেন। অন্যদিকে, বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও বকেয়া পরিশোধ না করায় ২১৫ জন গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এই বিচ্ছিন্নকৃত সংযোগগুলোর বিপরীতে বকেয়া বিলের পরিমাণ ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫৩ টাকা।

​এছাড়া অভিযান চলাকালে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩টি বিদ্যুৎ মিটার স্থায়ীভাবে অপসারণ (রিমুভ) করা হয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
​পূর্বধলা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. শাহিনুর আলম জানান, বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শতভাগ বকেয়া আদায় নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।