ময়মনসিংহ , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হামের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগামীকাল থেকে শুরু এসএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪ নির্দেশনা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাত ধরে সারা দেশে বিশেষ হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শুরু পর্দায় ফিরছেন কিং অফ পপ: আগামী সপ্তাহেই মুক্তি পাচ্ছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর আবেদন মালিকদের, বিআইডব্লিউটিএ-কে চিঠি ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় পৌঁছেছেন ​বিপিসির ঘোষণা: সোমবার থেকে ডিপো পর্যায়ে বাড়ছে তেলের বরাদ্দ চীন সফরে দেশ ছাড়লেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসরায়েলের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্যিক চুক্তি বাতিল চায় স্পেন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিশ্বকে হুঁশিয়ারি ইরানের: ‘তেলের বাজার উন্মুক্ত না করলে দিতে হবে চরম খেসারত

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ও তেলের বাজার নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কড়া বার্তা দিয়েছেন ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে কখনোই বিনা মূল্যে নিরাপত্তা পাওয়া সম্ভব নয়। 

আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আরেফ উল্লেখ করেন যে, একদিকে ইরানের জ্বালানি তেল রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে এবং অন্যদিকে ইরানের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা প্রত্যাশা করা হবে—এমন দ্বিচারিতা আর বরদাশত করা হবে না।

তিনি সরাসরি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানকে বিশ্ববাজার থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা সফল হবে না এবং এর নেতিবাচক প্রভাব অন্য দেশগুলোকেও ভোগ করতে হবে। বর্তমান উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের এই শীর্ষ নেতার মন্তব্য বিশ্ব তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরেফ দাবি করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই চাপ নিশ্চিত ও টেকসইভাবে প্রত্যাহার করা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। ইরান মনে করে যে, তাদের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করাই বর্তমান সংকট সমাধানের একমাত্র পথ।

ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া এই আল্টিমেটাম এমন এক সময়ে এল যখন হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো দেশগুলোর সঙ্গে তেহরানের উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ সরবরাহ করা হয়।

ইরান যদি এই প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা থেকে সরে আসে বা অবরোধ আরও কঠোর করে, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা আরেফের এই বক্তব্যকে একটি বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক হুমকি হিসেবে দেখছেন, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিশ্বকে হুঁশিয়ারি ইরানের: ‘তেলের বাজার উন্মুক্ত না করলে দিতে হবে চরম খেসারত

আপডেট সময় ১০:১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ও তেলের বাজার নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কড়া বার্তা দিয়েছেন ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে কখনোই বিনা মূল্যে নিরাপত্তা পাওয়া সম্ভব নয়। 

আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আরেফ উল্লেখ করেন যে, একদিকে ইরানের জ্বালানি তেল রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে এবং অন্যদিকে ইরানের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা প্রত্যাশা করা হবে—এমন দ্বিচারিতা আর বরদাশত করা হবে না।

তিনি সরাসরি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানকে বিশ্ববাজার থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা সফল হবে না এবং এর নেতিবাচক প্রভাব অন্য দেশগুলোকেও ভোগ করতে হবে। বর্তমান উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের এই শীর্ষ নেতার মন্তব্য বিশ্ব তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরেফ দাবি করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই চাপ নিশ্চিত ও টেকসইভাবে প্রত্যাহার করা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। ইরান মনে করে যে, তাদের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করাই বর্তমান সংকট সমাধানের একমাত্র পথ।

ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া এই আল্টিমেটাম এমন এক সময়ে এল যখন হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো দেশগুলোর সঙ্গে তেহরানের উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ সরবরাহ করা হয়।

ইরান যদি এই প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা থেকে সরে আসে বা অবরোধ আরও কঠোর করে, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা আরেফের এই বক্তব্যকে একটি বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক হুমকি হিসেবে দেখছেন, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে সক্ষম।