ময়মনসিংহ , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মমতা নিজ আসন ভবানীপুরে পুরোদমে এগিয়ে নতুন বাজেটে বাড়ছে পে-স্কেলের বরাদ্দ: বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা কেনিয়ায় অতিবৃষ্টিতে ভয়াবহ ভূমিধস: প্রাণ হারালেন ১৮ জন গৌরীপুরে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উদযাপন নেত্রকোনায় অনেক কষ্টের ফসল এখন কৃষকদের আর্তনাদ,ভিজা ধানে এখন জালা ধান পরিণত হচ্ছে নেত্রকোনার পূর্বধলা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ভারতীয় জিরা সহ আটক ১ মাঝ সমুদ্রে আতঙ্ক: প্রমোদতরীতে রহস্যময় ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৩ যাত্রী ময়মনসিংহে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ২৪ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সুষ্ঠু তদন্তে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ভোলা বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ২০

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

ভোলার লালমোহন উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের (জামায়াতসহ) নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। 

আহতদের মধ্যে ১৫ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত দুইজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)-এর কয়েকজন নারী কর্মী রায়চাঁদ বাজার এলাকায় গণসংযোগে যান।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ওই নারীকর্মীদের একজনের স্বামী ও জামায়াত কর্মী জসিম উদ্দিন মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্ট বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে, তাকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকেলের দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবালসহ উভয় দলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান।

এ সময় আলোচনার মাধ্যমে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

তবে, সন্ধ্যার পর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও তার সমর্থকরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় বিএনপির কয়েকজন কর্মী পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।

এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এ ঘটনায় বিএনপির ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম মাস্টার, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন নান্নু, নুরনবী, বসির, ইমন, হৃদয়সহ ১২ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল।

তিনি বলেন, সমঝোতার পর ফিরে আসার সময় আমাদের দলের ওপর হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম অভিযোগ করে বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই বিএনপির কর্মীরা আমাদের গণসংযোগে বাধা দিচ্ছে।

আজ নারী কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও গালিগালাজের পর পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনায় জামায়াত নেতা সোলাইমান জমদার ও আবু জাফরসহ ১১ জন আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা নিজ আসন ভবানীপুরে পুরোদমে এগিয়ে

ভোলা বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ২০

আপডেট সময় ১০:৩৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

ভোলার লালমোহন উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের (জামায়াতসহ) নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। 

আহতদের মধ্যে ১৫ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত দুইজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)-এর কয়েকজন নারী কর্মী রায়চাঁদ বাজার এলাকায় গণসংযোগে যান।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ওই নারীকর্মীদের একজনের স্বামী ও জামায়াত কর্মী জসিম উদ্দিন মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্ট বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে, তাকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকেলের দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবালসহ উভয় দলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান।

এ সময় আলোচনার মাধ্যমে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

তবে, সন্ধ্যার পর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও তার সমর্থকরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় বিএনপির কয়েকজন কর্মী পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।

এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এ ঘটনায় বিএনপির ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম মাস্টার, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন নান্নু, নুরনবী, বসির, ইমন, হৃদয়সহ ১২ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল।

তিনি বলেন, সমঝোতার পর ফিরে আসার সময় আমাদের দলের ওপর হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নিজামুল হক নাঈম অভিযোগ করে বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই বিএনপির কর্মীরা আমাদের গণসংযোগে বাধা দিচ্ছে।

আজ নারী কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও গালিগালাজের পর পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনায় জামায়াত নেতা সোলাইমান জমদার ও আবু জাফরসহ ১১ জন আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।