ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৪ মৎস্যচাষীর মাঝে দেশীয় ছোট মাছ চাষের উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠিত এআই ক্যামেরায় দেড় হাজার মামলা হয়েছে জানালেন ডিএমপি কমিশনার বগুড়ায় কুকুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম, গ্রেফতার যুবক ইরানে সড়ক দুর্ঘটনায় আইআরজিসি নৌবাহিনীর মুখপাত্রের মৃত্যু মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই বললেন শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে আরও ২টি আউটলেট নির্মাণসহ নানামুখী উদ্যোগ ব্রাজিলকে নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশের  পর অন্ধ আকলিমার পাশে ইউএনও, শফিকুল ইসলাম চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল পূর্বধলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান হবে আসছে জুলাইয়ে। পূর্বের বকেয়াসহ নিয়মিত বেতনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআইবি) অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।ইসলামি শিক্ষাকে কোনোভাবেই কোনো দল বা মতের হতে দেবে না সরকার-এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরপরই ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত জন পদত্যাগ করলেন অথচ অন্য কোথাও এ ঘটনা ঘটেনি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল রাজনৈতিক ভিন্ন মতাদর্শ ছিল পদত্যাগকারীদের। যে লক্ষ্যে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেটা করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
 
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রয়োজন মেনে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হলেও বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি জানিয়ে-এ ব্যর্থতা কোনোভাবেই ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়া সরকারের নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।

১৪শ বেশি মাদ্রাসা শিক্ষক বেতন পাননি, এটা সরকারের ব্যর্থতা নয়-এ কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে যা প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। সরকার গঠনের পর দেখা গেল ৫০১ কোটি টাকা প্রয়োজন কিন্তু সেটাও নেই। তবে জুলাই থেকে বেতন পাবেন শিক্ষকরা।
 
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৯ কোটি টাকা প্রয়োজন বেতনের জন্য, যেদিক তাকাই সেদিকেই সমস্যা-এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আবার কওমি শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের নিজেদের মতবিরোধের কারণে সরকার গুছিয়ে উঠতে পারছে না।
 
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওর জন্য অনশন করছে। অথচ ৩৫ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান এবং এনটিআরসি থেকে শিক্ষক নিবন্ধনের শর্তে তাদের এমপিও পাওয়ার কথা। হঠাৎ করে আওয়ামী সরকার ২৩ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান নির্মাণের শর্ত ঠিক করলো, পাশাপাশি ব্যানবেইস থেকে এদের যে নম্বর দেয়া হয় সেগুলোর কোনো ইন্সপেকশন নেই। এখন সরকার গঠনের পরে অথৈ সাগরে আমরা।
 
এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআইবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান।  
 
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৪ মৎস্যচাষীর মাঝে দেশীয় ছোট মাছ চাষের উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই বললেন শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান হবে আসছে জুলাইয়ে। পূর্বের বকেয়াসহ নিয়মিত বেতনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআইবি) অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।ইসলামি শিক্ষাকে কোনোভাবেই কোনো দল বা মতের হতে দেবে না সরকার-এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরপরই ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত জন পদত্যাগ করলেন অথচ অন্য কোথাও এ ঘটনা ঘটেনি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল রাজনৈতিক ভিন্ন মতাদর্শ ছিল পদত্যাগকারীদের। যে লক্ষ্যে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেটা করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
 
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রয়োজন মেনে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হলেও বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি জানিয়ে-এ ব্যর্থতা কোনোভাবেই ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়া সরকারের নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।

১৪শ বেশি মাদ্রাসা শিক্ষক বেতন পাননি, এটা সরকারের ব্যর্থতা নয়-এ কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে যা প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। সরকার গঠনের পর দেখা গেল ৫০১ কোটি টাকা প্রয়োজন কিন্তু সেটাও নেই। তবে জুলাই থেকে বেতন পাবেন শিক্ষকরা।
 
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৯ কোটি টাকা প্রয়োজন বেতনের জন্য, যেদিক তাকাই সেদিকেই সমস্যা-এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আবার কওমি শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের নিজেদের মতবিরোধের কারণে সরকার গুছিয়ে উঠতে পারছে না।
 
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওর জন্য অনশন করছে। অথচ ৩৫ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান এবং এনটিআরসি থেকে শিক্ষক নিবন্ধনের শর্তে তাদের এমপিও পাওয়ার কথা। হঠাৎ করে আওয়ামী সরকার ২৩ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান নির্মাণের শর্ত ঠিক করলো, পাশাপাশি ব্যানবেইস থেকে এদের যে নম্বর দেয়া হয় সেগুলোর কোনো ইন্সপেকশন নেই। এখন সরকার গঠনের পরে অথৈ সাগরে আমরা।
 
এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআইবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান।  
 
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।