ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যুবকের যাবজ্জীবন শিশুকে ধর্ষণের দায়ে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁয় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ধর্ষণ মামলায় আ.সালাম নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মেহেদী হাসান তালুকদার এ রায় দেন।কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আ. সালাম সদর উপজেলার বর্ষাইল মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রেজাউল করিম কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের পরিবার পত্নীতলা উপজেলায় ভাড়া থাকতেন। ব্যবসার সুবাদে আসামি আ. সালামও পাশাপাশি একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ভিকটিম মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে আসামি বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিত এবং রাস্তাঘাটে বিরক্ত করত। বিষয়টি জানাজানি হলে আসামি আ. সালাম ভিকটিমের পরিবারকে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখাত। ২০২২ সালের ১১ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে আ.সালাম ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নওগাঁ সদর উপজেলার ভবানীপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মোজাফফর রহমানের ভাড়া বাড়িতে আটক রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

বিষয়টি বুঝতে পেরে ভিকটিমের বাবা পত্নীতলা থানায় অভিযোগ করলে র‌্যাব আসামিকে গ্রেপ্তার ও শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে। পরে তদন্ত কর্মকর্তা আ.সালামসহ চার জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আ. সালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আইনজীবী রেজাউল করিম বলেন, আদালত ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আ. সালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

যুবকের যাবজ্জীবন শিশুকে ধর্ষণের দায়ে

আপডেট সময় ০১:৫৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

নওগাঁয় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ধর্ষণ মামলায় আ.সালাম নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মেহেদী হাসান তালুকদার এ রায় দেন।কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আ. সালাম সদর উপজেলার বর্ষাইল মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রেজাউল করিম কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের পরিবার পত্নীতলা উপজেলায় ভাড়া থাকতেন। ব্যবসার সুবাদে আসামি আ. সালামও পাশাপাশি একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ভিকটিম মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে আসামি বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিত এবং রাস্তাঘাটে বিরক্ত করত। বিষয়টি জানাজানি হলে আসামি আ. সালাম ভিকটিমের পরিবারকে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখাত। ২০২২ সালের ১১ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে আ.সালাম ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নওগাঁ সদর উপজেলার ভবানীপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মোজাফফর রহমানের ভাড়া বাড়িতে আটক রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

বিষয়টি বুঝতে পেরে ভিকটিমের বাবা পত্নীতলা থানায় অভিযোগ করলে র‌্যাব আসামিকে গ্রেপ্তার ও শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে। পরে তদন্ত কর্মকর্তা আ.সালামসহ চার জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আ. সালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আইনজীবী রেজাউল করিম বলেন, আদালত ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আ. সালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।