ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারেন, এতে সরকারের করার কিছু নেই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তীব্র খাদ্য ঝুঁকিতে পড়বে বাংলাদেশের এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ জানিয়েছে ডব্লিউএফপি চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা কবে: শিক্ষামন্ত্রী ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অপরাধ বৃদ্ধি নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের তথ্যের মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি কমিশনার নেত্রকোনা সদর ২ নং মেদনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চায় বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোখলেছুর রহমান দলীয় বহিষ্কারেই গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নয় জানিয়েছেন ইসি মাছউদ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে পৌঁছেছে ৩৬.৪৭ বিলিয়ন ডলারে জিয়াউর রহমান হত্যা মামলা: ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামি মোজাফফর ​ভাইস অ্যাডমিরাল র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পেলেন নতুন নৌবাহিনী প্রধান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

রাশেদ খানের বিস্ফারক মন্তব্য জামায়াত-শিবিরকে নিয়ে !

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান দাবি করেছেন যে, জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কৌশলের কারণে দেশের মধ্যপন্থি রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে, অন্য রাজনৈতিক দলে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার নীতির কারণে গণঅধিকার পরিষদ এবং ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন।

রাশেদ খান তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “জামায়াত এবং শিবিরের অন্য দলে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার রাজনীতির নীতি বন্ধ করতে হবে। সাম্প্রতিককালে এ নীতির কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি।”

জামায়াত-শিবিরের উদ্দেশে রাশেদ খান কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি তারা বাংলাদেশে মধ্যপন্থি ধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চায়, তবে সেটাকে সাধুবাদ জানানো হবে। কিন্তু শর্ত হলো:

“তাদের পুরো রাজনীতির নীতি হতে হবে প্রকাশ্য নীতি। অন্য দলে যুক্ত হয়ে সেই দলে প্রভাব বিস্তারের রাজনীতি পুরোপুরি বন্ধ না করলে পুরো দেশের সিস্টেম কলাপস করবে এবং বিরাজনীতিকরণ সৃষ্টি হবে।”

তিনি সতর্ক করে দেন যে, দেশের রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে এতে জামায়াত-শিবিরও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

রাশেদ খান ইসলামকে রাজনীতিতে হাজির করার ক্ষেত্রেও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াত ও শিবিরের রাজনীতি মধ্যপন্থি ধারায় চলছে। এই ধারার সঙ্গে ইসলামকে যুক্ত করলে ইসলামিক দল সম্পর্কে সাধারণ মানুষ ভুল বার্তা পাবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “ইসলামিক রাজনীতি করলে পুরোপুরি সেটাই করা উচিত। আর মধ্যপন্থি রাজনীতি করলে সেটাই করা উচিত।” উপসংহারে তিনি মত দেন যে, “পলিটিক্যাল ইসলাম বলে কিছু নাই। ইসলাম কায়েম ও শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে কোনো কৌশল কাজ করে না। বরং এ কৌশলের কারণে আপনি বুঝে শুনে ইসলামকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারেন, এতে সরকারের করার কিছু নেই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাশেদ খানের বিস্ফারক মন্তব্য জামায়াত-শিবিরকে নিয়ে !

আপডেট সময় ১১:৫৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান দাবি করেছেন যে, জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কৌশলের কারণে দেশের মধ্যপন্থি রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে, অন্য রাজনৈতিক দলে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার নীতির কারণে গণঅধিকার পরিষদ এবং ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন।

রাশেদ খান তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “জামায়াত এবং শিবিরের অন্য দলে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার রাজনীতির নীতি বন্ধ করতে হবে। সাম্প্রতিককালে এ নীতির কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি।”

জামায়াত-শিবিরের উদ্দেশে রাশেদ খান কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি তারা বাংলাদেশে মধ্যপন্থি ধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চায়, তবে সেটাকে সাধুবাদ জানানো হবে। কিন্তু শর্ত হলো:

“তাদের পুরো রাজনীতির নীতি হতে হবে প্রকাশ্য নীতি। অন্য দলে যুক্ত হয়ে সেই দলে প্রভাব বিস্তারের রাজনীতি পুরোপুরি বন্ধ না করলে পুরো দেশের সিস্টেম কলাপস করবে এবং বিরাজনীতিকরণ সৃষ্টি হবে।”

তিনি সতর্ক করে দেন যে, দেশের রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে এতে জামায়াত-শিবিরও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

রাশেদ খান ইসলামকে রাজনীতিতে হাজির করার ক্ষেত্রেও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াত ও শিবিরের রাজনীতি মধ্যপন্থি ধারায় চলছে। এই ধারার সঙ্গে ইসলামকে যুক্ত করলে ইসলামিক দল সম্পর্কে সাধারণ মানুষ ভুল বার্তা পাবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “ইসলামিক রাজনীতি করলে পুরোপুরি সেটাই করা উচিত। আর মধ্যপন্থি রাজনীতি করলে সেটাই করা উচিত।” উপসংহারে তিনি মত দেন যে, “পলিটিক্যাল ইসলাম বলে কিছু নাই। ইসলাম কায়েম ও শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠানের মাঝখানে কোনো কৌশল কাজ করে না। বরং এ কৌশলের কারণে আপনি বুঝে শুনে ইসলামকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।”