গতকাল শনিবার সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এই ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে।
এর আগে গত বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের খাসকামরায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে তিনি স্বীকার করেন যে, ঘটনার পূর্বে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন এবং এরপরই শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
গতকাল এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান স্পষ্ট করেছেন যে, আসন্ন ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরপরই এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হবে।
গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসায় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার এই বর্বরোচিত ঘটনায় সারা দেশে তীব্র ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসির দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনো টানা আন্দোলন ও বিক্ষোভ চলছে।
ঘটনার পরদিনই নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ দ্রুততম সময়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ইতোমধ্যেই বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিহত রামিসার বাসায় গিয়ে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছেন এবং আগামী এক মাসের মধ্যে এই পৈশাচিক অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

ডিজিটাল রিপোর্ট 



















