ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, থানায় মামলা সুন্দরগঞ্জে

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০১:৪০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার শুক্রবার রাতে সুন্দরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার শেষে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে ওই কিশোরী। মধ্যরাতে প্রতিবেশী এক আত্মীয় পরিচয়ের সজিব মিয়া (২১) জানালার কাছে গিয়ে তাকে ডেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে ঘরের বাইরে নিয়ে যায়। পরে নানা কৌশলে মেয়েটিকে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে গিয়ে প্রথমে সজিব ধর্ষণ করে। এরপর তার দুই বন্ধু নাহিদ ইসলাম (১৯) ও সোহেল রানা (২০) পালাক্রমে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। চিৎকার শুনে আশপাশের দু’জন পথচারী ঘটনাস্থলে ছুটে এসে কিশোরীকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। পরে অভিযুক্তরা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি ও প্রলোভন দেখিয়ে চাপ প্রয়োগ করে। তবে শেষ পর্যন্ত মেয়েটি বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে নিয়ে এসে থানায় ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, থানায় মামলা সুন্দরগঞ্জে

আপডেট সময় ০১:৪০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার শুক্রবার রাতে সুন্দরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে রাতের খাবার শেষে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে ওই কিশোরী। মধ্যরাতে প্রতিবেশী এক আত্মীয় পরিচয়ের সজিব মিয়া (২১) জানালার কাছে গিয়ে তাকে ডেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে বলে ঘরের বাইরে নিয়ে যায়। পরে নানা কৌশলে মেয়েটিকে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে গিয়ে প্রথমে সজিব ধর্ষণ করে। এরপর তার দুই বন্ধু নাহিদ ইসলাম (১৯) ও সোহেল রানা (২০) পালাক্রমে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। চিৎকার শুনে আশপাশের দু’জন পথচারী ঘটনাস্থলে ছুটে এসে কিশোরীকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। পরে অভিযুক্তরা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি ও প্রলোভন দেখিয়ে চাপ প্রয়োগ করে। তবে শেষ পর্যন্ত মেয়েটি বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে নিয়ে এসে থানায় ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।