ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করা হবে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির সংকটের কঠিন মুহূর্তে আমাকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি ও সশস্ত্র বাহিনী বলেছেন রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রথমবারের মতো অফিস করলেন জুলাইয়ের শহীদদের পরিবার যেন ন্যায্য বিচার পান বলেছেন তাজুল ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনে থাকবেন কারা:মির্জা ফখরুল মো. আব্দুস সালাম ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ সরানো হলো তাজুলকে, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর জরুরি নির্দেশনা বেসরকারি মাদ্রাসার জন্য , না মানলে এমপিও বন্ধ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ঢাকাইয়া আকবর’ মারা গেছেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় শত শত দর্শনার্থীদের সামনে প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী আলী আকবর ওরফে ঢাকাইয়া আকবর মারা গেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে গুলিবিদ্ধ আলী আকবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। লাশ মর্গে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

আকবর নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী পূর্ব মসজিদ জব্বার সওদাগর বাড়ির মোহাম্মদ মঞ্জুরের ছেলে। পুলিশের ধারণা, প্রতিপক্ষের লোকজন ঢাকাইয়া আকবরকে লক্ষ্য করে গুলি করেছে।

এর আগে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে পতেঙ্গা থানার সৈকতের পশ্চিম পয়েন্টে আকবর গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যাওয়া দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে গুলিবিদ্ধ আকবরকে উদ্ধার করে চমেকে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকাইয়া আকবর একজন মহিলা এবং চারজন ছেলেকে নিয়ে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যান। সৈকতের পশ্চিম পয়েন্টের ২৮ নম্বর দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন তারা। এ সময় মোটরসাইকেলে করে চারজন যুবক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাদের মধ্যে একজন আকবরকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এ সময় আকবর দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কারাবন্দী ছোট সাজ্জাদ ও ঢাকাইয়া আকবর অপরাধ জগতে একজন আরেকজনের প্রতিদ্বন্দ্বী। একে অপরের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। সাজ্জাদকে ঢাকা থেকে পুলিশে দেওয়ার পেছনেও ঢাকাইয়া আকবরের হাত রয়েছে এমন ধারণা সাজ্জাদের। সেই ক্ষোভ থেকেই আকবরকে হত্যার জন্য এ হামলা চালানো হয়েছে। যদিও পুলিশ এখনো হামলাকারী কারা সেই বিষয়ে স্পষ্ট করতে পারেনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করা হবে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির

শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ঢাকাইয়া আকবর’ মারা গেছেন

আপডেট সময় ১১:২০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় শত শত দর্শনার্থীদের সামনে প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী আলী আকবর ওরফে ঢাকাইয়া আকবর মারা গেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে গুলিবিদ্ধ আলী আকবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। লাশ মর্গে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

আকবর নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী পূর্ব মসজিদ জব্বার সওদাগর বাড়ির মোহাম্মদ মঞ্জুরের ছেলে। পুলিশের ধারণা, প্রতিপক্ষের লোকজন ঢাকাইয়া আকবরকে লক্ষ্য করে গুলি করেছে।

এর আগে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে পতেঙ্গা থানার সৈকতের পশ্চিম পয়েন্টে আকবর গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যাওয়া দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে গুলিবিদ্ধ আকবরকে উদ্ধার করে চমেকে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকাইয়া আকবর একজন মহিলা এবং চারজন ছেলেকে নিয়ে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যান। সৈকতের পশ্চিম পয়েন্টের ২৮ নম্বর দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন তারা। এ সময় মোটরসাইকেলে করে চারজন যুবক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাদের মধ্যে একজন আকবরকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এ সময় আকবর দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কারাবন্দী ছোট সাজ্জাদ ও ঢাকাইয়া আকবর অপরাধ জগতে একজন আরেকজনের প্রতিদ্বন্দ্বী। একে অপরের সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। সাজ্জাদকে ঢাকা থেকে পুলিশে দেওয়ার পেছনেও ঢাকাইয়া আকবরের হাত রয়েছে এমন ধারণা সাজ্জাদের। সেই ক্ষোভ থেকেই আকবরকে হত্যার জন্য এ হামলা চালানো হয়েছে। যদিও পুলিশ এখনো হামলাকারী কারা সেই বিষয়ে স্পষ্ট করতে পারেনি।