ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘হ্যাঁ’-এর প্রার্থী আপনি আমি আমরা সবাই বলেছেন আলী রীয়াজ আখতার হোসেন ফেসবুকে নির্বাচনী আর্থিক সহায়তা চাইলেন বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী প্রার্থিতা ফিরে পেতে এবার আপিল করবেন ​গফরগাঁওয়ে ধানের শীষের প্রার্থী আক্তারুজ্জামান বাচ্চু: সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দের জোয়ার তারেক রহমানের আজ কোথায় কোন কর্মসূচি রয়েছে প্রার্থীরা যা করতে পারবেন, যা পারবেন না ,নির্বাচনী প্রচারণা শুরু জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ প্যাকেজ লেবেলিং (FOPL) সহ প্রবিধানমালা চুড়ান্ত করার দাবী : সবুজবাংলার শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে কোন দল কোথায় শহীদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচি তারেক রহমানের পুনরায় চালুর ঘোষণা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দুই স্ত্রীর বিবাদে প্রাণ গেল যুবদল নেতার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের কচুয়ায় দুই স্ত্রীর বিবাদের জেরে হামলায় জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫) নামে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্করের ছেলে। তিনি রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। দুই বিয়ের কারণে মিন্টুর সংসারে অশান্তি চলছিল। সোমবার গভীর রাতে দুই স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাধে। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে ৮-১০ জন লোক এসে মিন্টুকে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাঢ়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন বলেন, ‘মিন্টুর দুই স্ত্রীর বিরোধ চলছিলো। এরই মধ্যে গত রাতে বাইরে থেকে কিছু লোক এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাই।’

আরও পড়ুন: বাগেরহাটে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ‘মারপিটে’ যুবদল নেতার মৃত্যু

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘জাহিদুল ইসলাম মিন্টু পারিবারিকভাবে অশান্তিতে ছিলেন। শুনেছি তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। ওনার দুই স্ত্রীর মধ্যে কোন্দল চলছিলো। এরই জের ধরে বহিরাগত ৭-৮ জন লোক এসে ওনাকে হত্যা করেন।’

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘হ্যাঁ’-এর প্রার্থী আপনি আমি আমরা সবাই বলেছেন আলী রীয়াজ

দুই স্ত্রীর বিবাদে প্রাণ গেল যুবদল নেতার

আপডেট সময় ০৩:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

বাগেরহাটের কচুয়ায় দুই স্ত্রীর বিবাদের জেরে হামলায় জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫) নামে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্করের ছেলে। তিনি রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। দুই বিয়ের কারণে মিন্টুর সংসারে অশান্তি চলছিল। সোমবার গভীর রাতে দুই স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাধে। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে ৮-১০ জন লোক এসে মিন্টুকে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাঢ়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন বলেন, ‘মিন্টুর দুই স্ত্রীর বিরোধ চলছিলো। এরই মধ্যে গত রাতে বাইরে থেকে কিছু লোক এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাই।’

আরও পড়ুন: বাগেরহাটে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ‘মারপিটে’ যুবদল নেতার মৃত্যু

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘জাহিদুল ইসলাম মিন্টু পারিবারিকভাবে অশান্তিতে ছিলেন। শুনেছি তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। ওনার দুই স্ত্রীর মধ্যে কোন্দল চলছিলো। এরই জের ধরে বহিরাগত ৭-৮ জন লোক এসে ওনাকে হত্যা করেন।’

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।