ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল ভারত থেকে এক মাসের কম সময়ে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী পূর্বধলায় গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, কথা রেখেছি বলেছেন মির্জা ফখরুল পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন গৌরীপুরে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর গণপদত্যাগ রাঙামাটির জুরাছড়িতে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ছয়টায় জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিন ধরে জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছিল। এ সময় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছিল। মঙ্গলবার সকালে তাপমাত্রা আরও কমে ৭.৫ ডিগ্রিতে নেমে আসে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৩ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যাওয়ায় জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। হিম শীতল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ। তীব্র শীতের কারণে সাধারণ মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বরফশীতল বাতাস বইতে থাকায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।

ভ্যানচালক রশিদ মোল্লা জানান, একাধিক শীতের কাপড় পরেও শরীর গরম রাখা যাচ্ছে না। শরীরের কোনো অংশ খোলা থাকলেই তীব্র ঠান্ডা লাগছে। শীতের কারণে সকাল থেকে বের হলেও যাত্রী পাচ্ছেন না।

শিক্ষার্থী আব্দুল হালিম বলেন, সকালে পানিতে হাত দেওয়াই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বরফের মতো ঠান্ডা পানিতে পড়াশোনার জন্য বাইরে যাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

শীতের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান

চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি

আপডেট সময় ১০:৪৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ছয়টায় জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিন ধরে জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছিল। এ সময় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছিল। মঙ্গলবার সকালে তাপমাত্রা আরও কমে ৭.৫ ডিগ্রিতে নেমে আসে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৩ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যাওয়ায় জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। হিম শীতল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ। তীব্র শীতের কারণে সাধারণ মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বরফশীতল বাতাস বইতে থাকায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।

ভ্যানচালক রশিদ মোল্লা জানান, একাধিক শীতের কাপড় পরেও শরীর গরম রাখা যাচ্ছে না। শরীরের কোনো অংশ খোলা থাকলেই তীব্র ঠান্ডা লাগছে। শীতের কারণে সকাল থেকে বের হলেও যাত্রী পাচ্ছেন না।

শিক্ষার্থী আব্দুল হালিম বলেন, সকালে পানিতে হাত দেওয়াই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বরফের মতো ঠান্ডা পানিতে পড়াশোনার জন্য বাইরে যাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

শীতের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে।