সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে গণবিরোধী সরকার গঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান। তিনি বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে জনগণ সরকারকে মানবে না। ফলে আবারও মানুষ বিদ্রোহের পথ বেছে নেবে।
গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন তিনি।
গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হলেও বিএনপির সংসদ সদস্যরা (এমপি) সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। জামায়াতের ৬৮ এমপিসহ বিরোধী দলের ৭৮ জন সংসদ এবং পরিষদের শপথ নিয়েছেন। সরকারের উদ্দেশে মুজিবুর রহমান বলেছেন, দেশে রক্ত না ঝরিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের রায় বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দলকে কাজ করতে হবে। জনগণের কথা মেনে নেওয়ার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। ব্রিটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে শেখ হাসিনা– কোনো সরকারই জনমতের বিরুদ্ধে গিয়ে ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। আগামীতেও কোনো সরকার পারবে না। গণভোটে দেওয়া জনগণের রায় বাস্তবায়নে জামায়াত সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত, আবার বিরোধী দল হিসেবে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত।
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেছেন, সর্বত্র বাংলা ভাষা ব্যবহারের আইন থাকলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। বাস্তবায়নে উদ্যোগ সরকারকে নিতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই সনদ বাদ দিয়ে যারা গণতন্ত্র সুসংহতের কথা বলে তারা স্বৈরতন্ত্র কায়েমের পথে হাঁটছে। একুশের চেতনা মানে দুর্নীতি নয়, চাঁদাবাজি নয়, স্বৈরতন্ত্র নয়। একুশ থেকে জুলাই– প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে। সরকার জুলাই চেতনা বিনষ্টের চেষ্টা করলে আরেকটা জুলাই হবে।
মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তৃতা করেন।

ডিজিটাল রিপোর্ট 






















