ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা জুলাই নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচার করতে হবে বললেন আখতার হোসেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে বড় রদবদল: স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান ​জাতীয় নির্বাচনের পাঠ নিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে নামছে নির্বাচন কমিশন পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার রায় বৃহস্পতিবার জনদুর্ভোগ লাঘবে নারী এমপির অনুদান; সড়ক সংস্কারে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল ​আর্জেন্টিনার প্রতি শুভকামনা মোস্তফা জিকোর, প্রত্যাশা আরও এক বিশ্বকাপের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ: ‘টাকার বিনিময়ে ম্যাচ হেরেছি’, অভিযোগ মিশর কোচের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ​কারবালার পথে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আপিল বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরামকে খালাস দিলেন

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেনকে খালাস প্রদান করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে খান আকরামসহ মোট সাতজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছিলেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন শেখ মোহম্মদ উকিল উদ্দিন, মো. মকবুল মোল্লা, খান আশরাফ আলী, রুস্তম আলী মোল্লা, শেখ ইদ্রিস আলী ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল। তাদের মধ্যে খান আকরামসহ প্রথম তিনজন কারাবন্দি থাকলেও বাকি চারজন মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। ২০১৭ সালের ৩১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরু করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

এ ছাড়াও জুলাই মাসে কচুয়ায় চারজনকে অপহরণের পর হত্যার পর লাশ খালে ফেলে দেওয়া এবং নভেম্বর মাসে পৃথক দুটি অভিযানে দুই মুক্তিযোদ্ধা ও চারজন সাধারণ মানুষকে হত্যার অভিযোগ ছিল অন্যতম। বিচারিক প্রক্রিয়ায় এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনাল তাদের ফাঁসির আদেশ দিয়েছিলেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য গুরুতর অভিযোগের মধ্যে ছিল উদানখালী গ্রাম থেকে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও হত্যার পর তার মেয়েকে রাজাকার ক্যাম্পে আটকে রেখে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন ও ধর্ষণ করা।

এ ছাড়া গজালিয়া বাজারে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালিয়ে একজনকে হত্যা ও তার স্ত্রীকে অপহরণ করে এক মাস ধরে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও নথিবদ্ধ করা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন, যার প্রেক্ষিতে দীর্ঘ আইনি পর্যালোচনার পর আজ খান আকরামকে খালাস প্রদানের আদেশ দিলেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা

আপিল বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরামকে খালাস দিলেন

আপডেট সময় ১০:৩১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেনকে খালাস প্রদান করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে খান আকরামসহ মোট সাতজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছিলেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন শেখ মোহম্মদ উকিল উদ্দিন, মো. মকবুল মোল্লা, খান আশরাফ আলী, রুস্তম আলী মোল্লা, শেখ ইদ্রিস আলী ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল। তাদের মধ্যে খান আকরামসহ প্রথম তিনজন কারাবন্দি থাকলেও বাকি চারজন মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। ২০১৭ সালের ৩১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরু করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।

এ ছাড়াও জুলাই মাসে কচুয়ায় চারজনকে অপহরণের পর হত্যার পর লাশ খালে ফেলে দেওয়া এবং নভেম্বর মাসে পৃথক দুটি অভিযানে দুই মুক্তিযোদ্ধা ও চারজন সাধারণ মানুষকে হত্যার অভিযোগ ছিল অন্যতম। বিচারিক প্রক্রিয়ায় এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনাল তাদের ফাঁসির আদেশ দিয়েছিলেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য গুরুতর অভিযোগের মধ্যে ছিল উদানখালী গ্রাম থেকে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও হত্যার পর তার মেয়েকে রাজাকার ক্যাম্পে আটকে রেখে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন ও ধর্ষণ করা।

এ ছাড়া গজালিয়া বাজারে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালিয়ে একজনকে হত্যা ও তার স্ত্রীকে অপহরণ করে এক মাস ধরে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও নথিবদ্ধ করা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন, যার প্রেক্ষিতে দীর্ঘ আইনি পর্যালোচনার পর আজ খান আকরামকে খালাস প্রদানের আদেশ দিলেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।