ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জ্বালানি সাশ্রয়ে অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে পাঠদানের পরিকল্পনার কথা: শিক্ষামন্ত্রী ২ লাখ লিটারের বেশি জ্বালানি তেল ২৬ দিনে উদ্ধার মৌলভীবাজারে উপবন এক্সপ্রেসে আগুন, সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ পাবনা ফরিদপুর উপজেলায় বন মানুষের দেখা মেলে বসতবাড়ির জমিতে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ: সুবিচারের আশায় আদালতের দুয়ারে ভুক্তভোগীরা ভাঙা সংসার ছেলের জন্য জোড়া লেগেছিল, অথচ রাহুলই চলে গেলেন গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ আইনগত হুমকির মুখে পড়বে বললেন শিশির মনির হামের ভ্যাকসিন আনতে দ্রুত কাজ করছি জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পূর্বধলায় সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেফতার গৌরীপুরে ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে আনা ইটের অগ্রীম টাকা দাবির অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাবনা ফরিদপুর উপজেলায় বন মানুষের দেখা মেলে

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় সোমবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় বনমানুষের দেখা মিলে। ওরাং-ওটাং ওরাং উটান নামটি এসেছে দু’টি মালয় শব্দ ওরাং “মানুষ” বা “লোক” এবং হুটান (“বন”) থেকে – যার সম্পূর্ণ অর্থ দাঁড়ায় “বনের মানুষ” বা “বনমানুষ”। ওরাং ওটাংয়ের লাল-বাদামী রঙের ঘন লোম রয়েছে। এছাড়াও, খুবই লম্বা ও শক্তিশালী বাহু রয়েছে। এর সাহায্যে তারা খুব দ্রুত ও নিখুঁতভাবে গাছে চড়তে পারে। তবে সুমাত্রা এলাকার ওরাং ওটাংগুলো বোর্নিওর ওরাং ওটাংয়ের তুলনায় আকারে ছোট এবং লোম অধিক ঘন। ব্যাপক সংখ্যায় বন নিধনের প্রেক্ষাপটে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে এবং বিপন্ন প্রজাতির তালিকার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বোর্নিও এবং সুমাত্রা দ্বীপপুঞ্জের বৃষ্টিবহুল বনাঞ্চলে ওরাং ওটাংদের দেখা মেলে। অধিকাংশই উঁচু গাছপালায় বসবাস করে। ফল, পাতা, গাছের বাকল খেয়ে জীবনধারন করে। এছাড়াও, পোকামাকড়, পাখীর ডিম এবং ছোটছোট প্রাণী খেতেও অভ্যস্ত তারা। গাছের পাতায় সঞ্চিত বৃষ্টির জল খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করে এজাতীয় প্রাণীগুলো। গাছ থেকে না তাড়ালে তারা ভূমিতে তেমন নামে না ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। প্রাপ্তবয়স্ক ওরাং ওটাংগুলো অত্যন্ত সাবধানতা ও সচেতনতা অবলম্বন করে নমনীয় পায়ের সাহায্যে এক শাখা থেকে অন্য শাখায় যাতায়াত করে। ছোটগুলো আরও সচেতনতা অবলম্বন করে।

স্ত্রী জাতীয় ওরাং ওটাং ২৩০ থেকে ২৬০ দিন গর্ভধারণ করে একটিমাত্র শাবক প্রসব করে। মাঝেমধ্যে দু’টি শাবকও প্রসব করতে পারে। প্রতি আট থেকে নয় বছর অন্তর তারা গর্ভধারণ করে থাকে। ছোট্ট শাবকগুলো তাদের মায়েদের সাথে কয়েক বছর অবস্থান করে। মায়ের পিঠে আরোহণপূর্বক বনাঞ্চলের নিয়ম-কানুন প্রতিপালনে সচেষ্ট হয় ও বনে অবস্থান করতে শেখে। মানব শিশুর ন্যায় ক্ষুদ্র ওরাং ওটাং শাবকগুলো খেলাধূলাপ্রিয় এবং স্নেহপূর্ণ আচরণ করে। পাঁচ কিংবা ছয় বছর বয়সসীমায় অবস্থান করে তারা স্বাধীনভাবে চলাচল করে। এমনকি নিজ নিজ এলাকা ছেড়ে চলেও যায়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সাশ্রয়ে অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে পাঠদানের পরিকল্পনার কথা: শিক্ষামন্ত্রী

পাবনা ফরিদপুর উপজেলায় বন মানুষের দেখা মেলে

আপডেট সময় ১০:২৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় সোমবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় বনমানুষের দেখা মিলে। ওরাং-ওটাং ওরাং উটান নামটি এসেছে দু’টি মালয় শব্দ ওরাং “মানুষ” বা “লোক” এবং হুটান (“বন”) থেকে – যার সম্পূর্ণ অর্থ দাঁড়ায় “বনের মানুষ” বা “বনমানুষ”। ওরাং ওটাংয়ের লাল-বাদামী রঙের ঘন লোম রয়েছে। এছাড়াও, খুবই লম্বা ও শক্তিশালী বাহু রয়েছে। এর সাহায্যে তারা খুব দ্রুত ও নিখুঁতভাবে গাছে চড়তে পারে। তবে সুমাত্রা এলাকার ওরাং ওটাংগুলো বোর্নিওর ওরাং ওটাংয়ের তুলনায় আকারে ছোট এবং লোম অধিক ঘন। ব্যাপক সংখ্যায় বন নিধনের প্রেক্ষাপটে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে এবং বিপন্ন প্রজাতির তালিকার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বোর্নিও এবং সুমাত্রা দ্বীপপুঞ্জের বৃষ্টিবহুল বনাঞ্চলে ওরাং ওটাংদের দেখা মেলে। অধিকাংশই উঁচু গাছপালায় বসবাস করে। ফল, পাতা, গাছের বাকল খেয়ে জীবনধারন করে। এছাড়াও, পোকামাকড়, পাখীর ডিম এবং ছোটছোট প্রাণী খেতেও অভ্যস্ত তারা। গাছের পাতায় সঞ্চিত বৃষ্টির জল খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করে এজাতীয় প্রাণীগুলো। গাছ থেকে না তাড়ালে তারা ভূমিতে তেমন নামে না ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। প্রাপ্তবয়স্ক ওরাং ওটাংগুলো অত্যন্ত সাবধানতা ও সচেতনতা অবলম্বন করে নমনীয় পায়ের সাহায্যে এক শাখা থেকে অন্য শাখায় যাতায়াত করে। ছোটগুলো আরও সচেতনতা অবলম্বন করে।

স্ত্রী জাতীয় ওরাং ওটাং ২৩০ থেকে ২৬০ দিন গর্ভধারণ করে একটিমাত্র শাবক প্রসব করে। মাঝেমধ্যে দু’টি শাবকও প্রসব করতে পারে। প্রতি আট থেকে নয় বছর অন্তর তারা গর্ভধারণ করে থাকে। ছোট্ট শাবকগুলো তাদের মায়েদের সাথে কয়েক বছর অবস্থান করে। মায়ের পিঠে আরোহণপূর্বক বনাঞ্চলের নিয়ম-কানুন প্রতিপালনে সচেষ্ট হয় ও বনে অবস্থান করতে শেখে। মানব শিশুর ন্যায় ক্ষুদ্র ওরাং ওটাং শাবকগুলো খেলাধূলাপ্রিয় এবং স্নেহপূর্ণ আচরণ করে। পাঁচ কিংবা ছয় বছর বয়সসীমায় অবস্থান করে তারা স্বাধীনভাবে চলাচল করে। এমনকি নিজ নিজ এলাকা ছেড়ে চলেও যায়।