ময়মনসিংহ , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পহেলা বৈশাখ: ঢাবিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডিএমপি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জরুরি নির্দেশনা নববর্ষের আবাহন : ঐতিহ্যের পথ বেয়ে আধুনিকতার উৎসবে ভিসার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো নাশকতার শঙ্কা নেই জানিয়েছেন র‌্যাব মহাপরিচালক জামিন পেলেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার ​দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: ২০ এপ্রিল নিজ জন্মভূমি বগুড়া সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুদ্ধ নয়, কেবল ‘সতর্কবার্তা’? ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বিকেলে নুসুক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরি করা হবে বলেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যুদ্ধ নয়, কেবল ‘সতর্কবার্তা’? ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটাতে ইরানের ওপর পুনরায় সীমিত আকারে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের পাশাপাশি এই বিমান হামলাকে আলোচনার টেবিলে তেহরানকে নমনীয় করার অন্যতম কৌশল হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের সামনে পূর্ণমাত্রায় বোমাবর্ষণ শুরু করার মতো বিকল্পও রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদী সামরিক যুদ্ধে জড়ানোর প্রতি প্রেসিডেন্টের অনীহার কারণে বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা আপাতত কম বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প রোববারের বেশিরভাগ সময় মিয়ামিতে তার নিজস্ব রিসোর্টে কাটিয়েছেন। সেখানে তিনি ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেন, গলফ খেলেন এবং তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সাথে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ট্রাম্পের সহযোগীরা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এখনো একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রেখেছেন। তবে একই সাথে তিনি হরমুজ প্রণালি অবরোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার নতুন হুমকি দিয়েছেন। সামরিক ও কূটনৈতিক এই দ্বিমুখী চাপের মাধ্যমে তেহরানকে একটি ‘চূড়ান্ত চুক্তিতে’ সই করতে বাধ্য করাই এখন ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।

হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র ট্রাম্পের বিবেচনাধীন এসব সুনির্দিষ্ট সামরিক বিকল্প নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ট্রাম্পের এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে।

বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন কঠোর অবস্থান শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সামরিক হামলার নির্দেশ দেন নাকি নতুন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পহেলা বৈশাখ: ঢাবিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ডিএমপি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জরুরি নির্দেশনা

যুদ্ধ নয়, কেবল ‘সতর্কবার্তা’? ইরানে সীমিত হামলার পরিকল্পনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

আপডেট সময় ১০:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটাতে ইরানের ওপর পুনরায় সীমিত আকারে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের পাশাপাশি এই বিমান হামলাকে আলোচনার টেবিলে তেহরানকে নমনীয় করার অন্যতম কৌশল হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের সামনে পূর্ণমাত্রায় বোমাবর্ষণ শুরু করার মতো বিকল্পও রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদী সামরিক যুদ্ধে জড়ানোর প্রতি প্রেসিডেন্টের অনীহার কারণে বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা আপাতত কম বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প রোববারের বেশিরভাগ সময় মিয়ামিতে তার নিজস্ব রিসোর্টে কাটিয়েছেন। সেখানে তিনি ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেন, গলফ খেলেন এবং তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সাথে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ট্রাম্পের সহযোগীরা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এখনো একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রেখেছেন। তবে একই সাথে তিনি হরমুজ প্রণালি অবরোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার নতুন হুমকি দিয়েছেন। সামরিক ও কূটনৈতিক এই দ্বিমুখী চাপের মাধ্যমে তেহরানকে একটি ‘চূড়ান্ত চুক্তিতে’ সই করতে বাধ্য করাই এখন ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।

হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র ট্রাম্পের বিবেচনাধীন এসব সুনির্দিষ্ট সামরিক বিকল্প নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ট্রাম্পের এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে।

বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন কঠোর অবস্থান শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সামরিক হামলার নির্দেশ দেন নাকি নতুন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা করেন।