ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

অভিষেককে রাহুলের ফোন: জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

ভারতে লোকসভায় আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার কেন্দ্রের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পরই বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। 

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ( ১৭ এপ্রিল) রাতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফোনে কথা বলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

সূত্রের দাবি, লোকসভায় বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য অভিষেককে ধন্যবাদ জানান রাহুল।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, কয়েক দিন আগেই নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই আবহেই হঠাৎ এই ফোনালাপ দুই দলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে তৃণমূলের অনুপস্থিতিও সম্প্রতি নজরে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এই যোগাযোগ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সমন্বয়ের ইঙ্গিত কিনা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধির প্রস্তাব সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল ভোটাভুটিতে পেশ করা হয়। দুই দিনের বিতর্কের পর ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট এবং বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোট দেন। তবে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি পাস করাতে ব্যর্থ হয় কেন্দ্র।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, জনগণনার আগে তড়িঘড়ি করে আসন বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণ কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এতে অনগ্রসর শ্রেণির মহিলারা বঞ্চিত হতে পারেন বলেও দাবি করা হয়। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এই বিষয়টি তুলে ধরেন। সংবিধান অনুযায়ী জনগণনার পরেই নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আসে কেন্দ্র।

বিরোধীরা একজোট হয়ে তার বিরোধিতা করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় একদিকে যেমন সংসদে বিরোধীদের ঐক্য সামনে এসেছে, অন্যদিকে ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে রাহুল-অভিষেকের এই যোগাযোগ ভবিষ্যতে কৌশলগত সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে কিনা, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সব মিলিয়ে, বিল ভেস্তে যাওয়ার ঘটনাকে ঘিরে শুধু সংসদ নয়, রাজ্যের নির্বাচনী আবহেও নতুন বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

অভিষেককে রাহুলের ফোন: জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস

আপডেট সময় ১১:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ভারতে লোকসভায় আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার কেন্দ্রের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পরই বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। 

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ( ১৭ এপ্রিল) রাতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফোনে কথা বলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

সূত্রের দাবি, লোকসভায় বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য অভিষেককে ধন্যবাদ জানান রাহুল।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, কয়েক দিন আগেই নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই আবহেই হঠাৎ এই ফোনালাপ দুই দলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে তৃণমূলের অনুপস্থিতিও সম্প্রতি নজরে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এই যোগাযোগ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সমন্বয়ের ইঙ্গিত কিনা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধির প্রস্তাব সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল ভোটাভুটিতে পেশ করা হয়। দুই দিনের বিতর্কের পর ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট এবং বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোট দেন। তবে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি পাস করাতে ব্যর্থ হয় কেন্দ্র।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, জনগণনার আগে তড়িঘড়ি করে আসন বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণ কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এতে অনগ্রসর শ্রেণির মহিলারা বঞ্চিত হতে পারেন বলেও দাবি করা হয়। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এই বিষয়টি তুলে ধরেন। সংবিধান অনুযায়ী জনগণনার পরেই নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আসে কেন্দ্র।

বিরোধীরা একজোট হয়ে তার বিরোধিতা করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় একদিকে যেমন সংসদে বিরোধীদের ঐক্য সামনে এসেছে, অন্যদিকে ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে রাহুল-অভিষেকের এই যোগাযোগ ভবিষ্যতে কৌশলগত সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে কিনা, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সব মিলিয়ে, বিল ভেস্তে যাওয়ার ঘটনাকে ঘিরে শুধু সংসদ নয়, রাজ্যের নির্বাচনী আবহেও নতুন বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।