গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন। কারাজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, ছোট দাদার সাথে আমার আর কখনো কথা হবে না। দাদা ২৫ মার্চ রাতে সারাজীবনের জন্য আমাদের ছেড়ে চলে যায়। আমার জেলখানার রুট দিয়েই দাদার লাশ যায় দাফনের উদ্দেশ্যে। আমি জেল সুপারের পা দুইটা ধরতে জাস্ট বাকি রেখেছিলাম, যাতে শেষ বারের মতো একটাবার দাদাকে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। আমাকে উত্তরে বলা হয় ভাসুরের লাশ দেখা তো ভালো না। ভাসুরকে দেখার জন্য এত উদগ্রীব হচ্ছেন কেন? ক্ষোভে, ঘৃণায় আমার দম আটকে আসবার উপক্রম হয়। আমার আর বলা হয় না যে আমি ভাসুর না, আমার নিজের ভাই হারিয়েছি।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও জানান, তার অনুপস্থিতিতে স্বামী একাই কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন। পরিবারও একাধিক চাপ ও হামলার মুখে পড়েছে। এমনকি জামিন না হওয়ার খবর শুনে তার বাবা স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি হন বলেও উল্লেখ করেন ইমি।
সেই স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করে জানান, ৫ আগস্টের পরে তিন, তিনবার আমাদের বাড়ি ভাঙার চেষ্টা করা হয়। স্বাধীনতাবিরোধীদের ব্যাকাপে থাকা এক মহিলা অবৈধভাবে আমাদের জমি দখল করে বসে আছে। এতকিছুর পরও আমার আব্বু এতটুকু টলে নি। একটা সন্তানের জন্য এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি কিছু হতে পারে? অথচ আমি যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছি। অনেক মানুষের ভালোবাসা, দোয়া পেয়েছি, পাচ্ছি। সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ। কিন্ত যে চরম মূল্য আমাকে দিতে হলো- এতটা ক্ষত, এতটা ট্রমা কি আসলেই আমার প্রাপ্য ছিল..?

ডিজিটাল রিপোর্ট 






















