ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেত্রকোনা সদর সিংহের বাংলা ইউনিয়ন’র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোখলেছুর রহমান খসরু পুলিশের বড় সাফল্য: চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত অপরাধী ডেভিড ইমন আটক শিল্প কারখানার গ্যাস সংকট শিগগিরই কাটবে: ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বড় আশ্বাস ইসিকে স্বাধীনভাবে চোখ কান খুলে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি বলেছেন গোলাম পরওয়ার নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত পূর্বধলায় “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬” উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত চিকিৎসকের বরাত দিয়ে সার্জিসের হৃদয়বিদারক তথ্য: চিরতরে হারিয়ে গেছে আলিফের চোখের দৃষ্টি! রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা: গুঞ্জনের কেন্দ্রে কেন মির্জা ফখরুল? ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সুপ্রিম কোর্টের বড় আপডেট: নির্দিষ্ট মামলা ছাড়া শ্যোন অ্যারেস্ট সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাবনার ফরিদপুরে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় ২৯ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে ২৯ ধান উত্তরের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ধান আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তোলা সম্ভব হবে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষকদের ধান কাটা কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। যথাসময়ে সেচ, বীজ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় ও সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।

সরেজমিনে ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজের মধ্যে সোনালী ধান। মাঠের পর মাঠ বাতাসে দোল খাচ্ছে এ সব ধানের ক্ষেত। আর এ দোলায় লুকিয়ে আছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। ইতোমধ্যে পাবনা জেলার ফরিদপুরে অনেক এলাকায় শুরু হয়েছে ২৯ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ২৯ ধান ঘরে তোলা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা ও কৃষাণীরা। অনেকেই মাঠেই ধান শুকিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার ধান সিদ্ধ ও গরুর খড়ের জন্য কাঁচা ধানের খড় শুকাচ্ছেন। ধান চাষীদের বাড়িতে বাড়িতে চলছে উৎসবের আমেজ।

লাভ বেশি পাওয়ায় দিন দিন পাবনার কৃষকেরা ২৯ ধানের আবাদের দিকে ঝুঁকছেন। ফরিদপুর উপজেলার খলিশাদহ গ্রামের কৃষক শ্রী কালা চাঁদ সরকারসহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবাদ করতে শ্রমিক, সেচ, সার, কীটনাশক, ধান কাটা ও মাড়াই বাবদ খরচ হয় ৮/৯ হাজার টাকা। তাঁরা জানান, চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে এ বছর প্রায় ২৮ থেকে ৩০ মন ধান উৎপাদন হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে এ বছর সবচেয়ে বেশি ফলন হবে ২৯ জাতের ধানে। বর্তমানে প্রতি মণ ধানের বাজার মূল্য ধানভেদে ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা। তাদের দাবি তাঁরা যেন এবার ধানের ন্যায্য মূল্য পান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা সদর সিংহের বাংলা ইউনিয়ন’র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোখলেছুর রহমান খসরু

পাবনার ফরিদপুরে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় ২৯ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে ২৯ ধান উত্তরের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ধান আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তোলা সম্ভব হবে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষকদের ধান কাটা কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। যথাসময়ে সেচ, বীজ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় ও সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।

সরেজমিনে ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজের মধ্যে সোনালী ধান। মাঠের পর মাঠ বাতাসে দোল খাচ্ছে এ সব ধানের ক্ষেত। আর এ দোলায় লুকিয়ে আছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। ইতোমধ্যে পাবনা জেলার ফরিদপুরে অনেক এলাকায় শুরু হয়েছে ২৯ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ২৯ ধান ঘরে তোলা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা ও কৃষাণীরা। অনেকেই মাঠেই ধান শুকিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার ধান সিদ্ধ ও গরুর খড়ের জন্য কাঁচা ধানের খড় শুকাচ্ছেন। ধান চাষীদের বাড়িতে বাড়িতে চলছে উৎসবের আমেজ।

লাভ বেশি পাওয়ায় দিন দিন পাবনার কৃষকেরা ২৯ ধানের আবাদের দিকে ঝুঁকছেন। ফরিদপুর উপজেলার খলিশাদহ গ্রামের কৃষক শ্রী কালা চাঁদ সরকারসহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবাদ করতে শ্রমিক, সেচ, সার, কীটনাশক, ধান কাটা ও মাড়াই বাবদ খরচ হয় ৮/৯ হাজার টাকা। তাঁরা জানান, চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে এ বছর প্রায় ২৮ থেকে ৩০ মন ধান উৎপাদন হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে এ বছর সবচেয়ে বেশি ফলন হবে ২৯ জাতের ধানে। বর্তমানে প্রতি মণ ধানের বাজার মূল্য ধানভেদে ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা। তাদের দাবি তাঁরা যেন এবার ধানের ন্যায্য মূল্য পান।