মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাটা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ডেকে আনার ঝুঁকির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তেহরান যদি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টিও বিবেচনাধীন থাকবে।
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, পুনরায় সামরিক হামলা শুরু হলে যে কোনো অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের চেয়ে পারমাণবিক অস্ত্রধারী ইরান একটি বড় হুমকি। এর মাধ্যমে তিনি সরাসরি এই উদ্বেগের জবাব দেন যে, পুনরায় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে বিশ্ব মন্দার কবলে পড়তে পারে।
তিনি আরও যুক্তি দেন, পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকি আরও বড় উদ্বেগের বিষয়। যদি তারা মেনে না চলে — তাহলে, পারমাণবিক অস্ত্র হতাশাকেও ছাপিয়ে যাবে।’
ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ইরান চুক্তি মেনে না চললে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যদি ইরান তাদের চুক্তি মেনে না চলে, বা তারা ঠিকমতো আচরণ না করে, তাহলে আমাকে যা করার তা-ই করতে হবে।’‘পারমাণবিক অস্ত্র মন্দাকেও ছাড়িয়ে যায়। মন্দা অবশ্যই খুব খারাপ, কিন্তু একটি পারমাণবিক অস্ত্র আরও অনেক দ্রুত মন্দা সৃষ্টি করবে। ট্রাম্প বলেছেন।
চুক্তিটি ভেস্তে গেলে ইরানের ওপর আবারও হামলা চালিয়ে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি নিতে তিনি ইচ্ছুক কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন: ‘আমি যেভাবে করছি, তাতে কোনো মন্দা হবে না।’তিনি আরও বলেন যে, ইরান যদি চুক্তি না মানে, তবে তিনি নির্বিশেষে ব্যবস্থা নেবেন। ‘যদি ইরান তাদের চুক্তি মেনে না চলে, বা যদি তারা ঠিকমতো আচরণ না করে, তবে আমাকে যা করতে হবে, আমি তাই করব। যতক্ষণ ইরান আমাদের সম্মান করবে, ততক্ষণ আমাদের কোনো সমস্যা হবে না।’

মাটি ও মানুষ ডেস্ক 
























