ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরের ৪ খুনে অল্প সময়ে অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী নওগাঁর পোরশায় প্রায় ২০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় গ্যাসের অনুসন্ধান কার্যক্রমের শুভ সূচনা দুর্গাপুরে ১৯ লাখ টাকার ফেন্সিডিলসহ আটক ১ পাবনায় যথাযথ মর্যাদায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) পালিত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাজারো মানুষের ঢল রংপুরের হত্যাকাণ্ডের আসামিরা দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরসিংদীতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, মাদক-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩৭
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নগদ দশ লক্ষ টাকা নিয়ে পা/লি/য়ে গেল মাগুরার সুন্দরী রুনা লায়লা

ঢাকা শহরে অভিজাত এলাকায় বসবাস ও নগদ দশ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেল মাগুরার সুন্দরী রুনা লায়লা।স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে তার অর্থ এই নয় যে স্বামীকে একা ফেলে নিজের একক সিদ্ধা/ন্তে পালি/য়ে যেতে হবে। বর্তমান আমাদের সমাজে প্রায়ই দেখা যায়, স্ত্রী পরকীয়া করে অন্যের হাত ধরে স্বামী সন্তান ফেলে রেখে চলে যায়, আবার এও দেখা যায়, বাবার বাড়ির লোকের কু পরামর্শে সাজানো গুছানো সংসার ফেলে রেখে চলে যায়।

আজ এমনই একটি ঘটনা আপনাদের সামনে তুলে ধরব, ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিজাত জীবনযাপন করা একটি পরিবার, স্ত্রীর নাম রুনা লায়লা, পিতা-হাফিজ উদ্দিন তার গ্রামের বাড়ি মাগুরার কুকনা গ্রামে।
রুনা লায়লার স্বামীর নাম, মিজান তার গ্রামের বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাশিনাথপুর গ্রামে, তাদের আট থেকে দশ বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে, সংসারে কোন অভাব অনটন নাই কারণ মিজান প্রথম শ্রেণীর একজন সরকারি ঠিকাদার, ঢাকা শহরে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন, সবমিলিয়ে মিজান ও রুনা লায়লা দাম্পত্য জীবন বেশ ভালই চলছিল।

হঠাৎ একদিন সুখের ঘরে দুঃখের আগুন জলে উঠলো, প্রতিদিনের ন্যায় গত ২২ জুন ২০২৬ সোমবার মিজান অফিসে যায়, সেদিন মিজানের স্ত্রী রুনা লায়লা সন্তানকে নিয়ে ও বাসায় রাখা নগদ প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ও দশ ভরি স্বর্ণ অলংকার নিয়ে পালিয়ে চলে যায় বলে বিষয়টি জানিয়েছেন মিজান।

সারাদিন কর্মব্যস্ততা শেষ করে মিজান বাসায় এসে দেখতে পাই তার প্রিয় পছন্দের সুন্দরী রূপসী জীবন সঙ্গী, স্ত্রী রুনা লায়লা একমাত্র সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে চলে গেছে। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি এক পর্যায়ে মিজান জানতে পারে তার স্ত্রী রুনা লায়লা মিজানের সংসার করবে না। মিজান অনেকবার তার স্ত্রী রুনা লায়লার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার স্ত্রী রুনা লায়লার ফোন বন্ধ।

স্ত্রী রুনা লায়লা বাসা থেকে পালিয়ে চলে যাওয়ার ব্যাপারে মিজান বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছিলাম, আমাকে সে সহ্য করতে পারছিল না। আমার অনুপস্থিতিতে সম্ভবত সে অন্য কারো সাথে কথা বলে, প্রথম প্রথম আমি ভেবেছিলাম হয়তো কোনো আত্মীয়-স্বজন তাদের সঙ্গে কথা বলে। কিন্তু পরবর্তীতে আমার কাছে মনে হয়েছে সে অন্য একটি ছেলের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে পড়েছে। আর সে কারণেই হয়তো আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। এই মুহূর্তে আমি একাকীত্ব জীবন যাপন করছি এবং বারবার আমার একমাত্র সন্তানের কথা মনে হচ্ছে।
রুনার ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি |

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নগদ দশ লক্ষ টাকা নিয়ে পা/লি/য়ে গেল মাগুরার সুন্দরী রুনা লায়লা

আপডেট সময় ১১:১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ঢাকা শহরে অভিজাত এলাকায় বসবাস ও নগদ দশ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেল মাগুরার সুন্দরী রুনা লায়লা।স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে তার অর্থ এই নয় যে স্বামীকে একা ফেলে নিজের একক সিদ্ধা/ন্তে পালি/য়ে যেতে হবে। বর্তমান আমাদের সমাজে প্রায়ই দেখা যায়, স্ত্রী পরকীয়া করে অন্যের হাত ধরে স্বামী সন্তান ফেলে রেখে চলে যায়, আবার এও দেখা যায়, বাবার বাড়ির লোকের কু পরামর্শে সাজানো গুছানো সংসার ফেলে রেখে চলে যায়।

আজ এমনই একটি ঘটনা আপনাদের সামনে তুলে ধরব, ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিজাত জীবনযাপন করা একটি পরিবার, স্ত্রীর নাম রুনা লায়লা, পিতা-হাফিজ উদ্দিন তার গ্রামের বাড়ি মাগুরার কুকনা গ্রামে।
রুনা লায়লার স্বামীর নাম, মিজান তার গ্রামের বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাশিনাথপুর গ্রামে, তাদের আট থেকে দশ বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে, সংসারে কোন অভাব অনটন নাই কারণ মিজান প্রথম শ্রেণীর একজন সরকারি ঠিকাদার, ঢাকা শহরে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন, সবমিলিয়ে মিজান ও রুনা লায়লা দাম্পত্য জীবন বেশ ভালই চলছিল।

হঠাৎ একদিন সুখের ঘরে দুঃখের আগুন জলে উঠলো, প্রতিদিনের ন্যায় গত ২২ জুন ২০২৬ সোমবার মিজান অফিসে যায়, সেদিন মিজানের স্ত্রী রুনা লায়লা সন্তানকে নিয়ে ও বাসায় রাখা নগদ প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ও দশ ভরি স্বর্ণ অলংকার নিয়ে পালিয়ে চলে যায় বলে বিষয়টি জানিয়েছেন মিজান।

সারাদিন কর্মব্যস্ততা শেষ করে মিজান বাসায় এসে দেখতে পাই তার প্রিয় পছন্দের সুন্দরী রূপসী জীবন সঙ্গী, স্ত্রী রুনা লায়লা একমাত্র সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে চলে গেছে। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি এক পর্যায়ে মিজান জানতে পারে তার স্ত্রী রুনা লায়লা মিজানের সংসার করবে না। মিজান অনেকবার তার স্ত্রী রুনা লায়লার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার স্ত্রী রুনা লায়লার ফোন বন্ধ।

স্ত্রী রুনা লায়লা বাসা থেকে পালিয়ে চলে যাওয়ার ব্যাপারে মিজান বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছিলাম, আমাকে সে সহ্য করতে পারছিল না। আমার অনুপস্থিতিতে সম্ভবত সে অন্য কারো সাথে কথা বলে, প্রথম প্রথম আমি ভেবেছিলাম হয়তো কোনো আত্মীয়-স্বজন তাদের সঙ্গে কথা বলে। কিন্তু পরবর্তীতে আমার কাছে মনে হয়েছে সে অন্য একটি ছেলের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে পড়েছে। আর সে কারণেই হয়তো আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। এই মুহূর্তে আমি একাকীত্ব জীবন যাপন করছি এবং বারবার আমার একমাত্র সন্তানের কথা মনে হচ্ছে।
রুনার ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি |