ময়মনসিংহ , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চলছে একনেক সভা, সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টার হরতালের ডাক ফটিকছড়িতে ​গ্যাসের তীব্র হাহাকার: ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ি দীর্ঘ সারিতে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নিরাপত্তা প্যানেলের যৌথ-সভাপতি রবিউল আলম শাবিপ্রবিতে কঠোর পদক্ষেপ: শিক্ষার্থীকে মারধরের দায়ে ২ ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়ার সৌভাগ্যবান কারা? শম্ভুগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, দুই নারীসহ ৩ জনের মৃত্যু সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি অনুমোদন ট্রাম্পের: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক ও খেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব ইসির আলীকদমে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষক, ঋণখেলাপিরা জানিয়েছেন ইসি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থিতার যোগ্যতা বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। পাশাপাশি ঋণখেলাপি, ঋণের জামিনদার এবং যাদের ইউটিলিটি বিল বকেয়া রয়েছে, তারাও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হবেন।

গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের ১২তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ—এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনসংক্রান্ত আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে কমিশন। প্রস্তাবগুলো শিগগিরই আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

সচিব জানান, সংশোধনী প্রস্তাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ছাড়াও ঋণখেলাপি, ঋণের জামিনদার এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি বা অন্যান্য ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকা ব্যক্তিদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

আখতার আহমেদ বলেন, বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে তারা ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন না। ১৮ বছর পূর্ণ হলে তাদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়। এর আগে পর্যন্ত তাদের তথ্য ডরম্যান্ট (নিষ্ক্রিয়) অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে।

তিনি আরও জানান, তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা আরও কমানো যায় কি না, তা কমিশন পর্যালোচনা করছে। এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি কিংবা প্রাথমিক স্তর—কোন পর্যায় থেকে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে, সে বিষয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলছে একনেক সভা, সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষক, ঋণখেলাপিরা জানিয়েছেন ইসি

আপডেট সময় ১০:১২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থিতার যোগ্যতা বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। পাশাপাশি ঋণখেলাপি, ঋণের জামিনদার এবং যাদের ইউটিলিটি বিল বকেয়া রয়েছে, তারাও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হবেন।

গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের ১২তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ—এই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনসংক্রান্ত আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে কমিশন। প্রস্তাবগুলো শিগগিরই আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

সচিব জানান, সংশোধনী প্রস্তাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ছাড়াও ঋণখেলাপি, ঋণের জামিনদার এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি বা অন্যান্য ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকা ব্যক্তিদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

আখতার আহমেদ বলেন, বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে তারা ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন না। ১৮ বছর পূর্ণ হলে তাদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়। এর আগে পর্যন্ত তাদের তথ্য ডরম্যান্ট (নিষ্ক্রিয়) অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে।

তিনি আরও জানান, তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা আরও কমানো যায় কি না, তা কমিশন পর্যালোচনা করছে। এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি কিংবা প্রাথমিক স্তর—কোন পর্যায় থেকে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে, সে বিষয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।